সংসদে দ্রুত বিচার সংশোধন আইন-২০১৪ পাস

0
89
Parlament_house

Parlament_houseদ্রুত বিচার সংশোধন আইন-২০১৪ সংসদে পাস হয়েছে। এটি দশম জাতীয় সংসদে পাস হওয়া প্রথম বিল যা আরও ৫ বছর চালু রাখার অনুমোদন দিয়েছে আইনসভা।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে দ্রুত বিচার সংশোধন আইন-২০১৪ পাসের প্রস্তাব করেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন।

এর আগে গত রোববার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তারপর এটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

এ আইন ২০১৪ সালের ৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়ে ২০১৯ সালের ৭ এপ্রিল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। দ্রুত বিচার সংশোধন আইনে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ দুই থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দুই-ই হতে পারে। এ আইনে ১২০ দিনের মধ্যে বিচারকাজ নিষ্পত্তি করার বিধান রয়েছে। আর এই সময়ের মধ্যে বিচারকাজ নিষ্পত্তি করা না গেলে আরও ৬০ দিন পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় পাওয়া যাবে।

এর আগে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০২ সালে দ্রুত বিচার আইন জারি করে দুই বছরের জন্য কার্যকর করা হয়েছিল। এরপর সংসদের অনুমোদন নিয়ে বিভিন্ন সময়ে এ আইনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। ২০১২ সালে দ্রুত বিচার সংশোধন আইনটি আরও দুই বছর বলবৎ রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

এ আইনটি যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, চাঁদাবাজি, যানবাহনের ক্ষতি সাধন, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট, ছিনতাই, দস্যুতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, দরপত্র কেনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দ্রুততার সঙ্গে শেষ করার জন্য প্রয়োগ করা হয়েছে।

দ্রুত বিচার সংশোধন আইনের মেয়াদ বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করে সংসদে এক বিবৃতিতে বলা হয়, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা এবং আইনের ১৭০৩টি মামলা নিষ্পত্তির জন্য মেয়াদ বাড়ানো অতি আবশ্যক।