অক্টোবরে চালু হচ্ছে ডিএসইর নতুন সফটওয়্যার

0
56
dse-
সংবাদ সম্মলেনে বক্তব্য রাখছেন স্বপন কুমার বালা- ফইল ছবি

dse-কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে পাওয়ার জন্য অক্টোবরে চালু হচ্ছে ঢাকা স্টক এক্সঞ্জের নতুন সফটওয়্যার।  পুঁজিবাজারের ব্যবসায়ে নতুন প্লাটফর্মের সফটওয়্যার  অক্টোবরে চালু করবে বলে জানিয়েছেন ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বপন কুমার বালা। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএসইর কর্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এই কথা বলেন। তিনি আরও বলেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে বিশ্বমানের করতে স্টকএক্সচেঞ্জের নতুন পরিচালনা পর্ষদ গত ২১ মার্চ নাসডাকওমেক্স ও ফ্লেক্সট্রেড-এর সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।  চুক্তির কার্যকারিতা আগামি ১০ বছর বহাল থাকবে।

গতকাল থেকে এই সফটওয়্যারের চালুর প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। এটি চালু হলে ব্রোকার হাউজগুলোতে অল্প সময়ে ট্রেড করা যাবে। যেকোন হার্ডডিস্কে এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা যাবে।  আইপ্যাড বা স্মার্ট ফোনের মাধমে ব্যবসা করা যাবে এই সফটওয়্যার চালু হলে। এই সফওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবসা করতে ব্রোকারহাউজগুলোকে আলাদা কোন পয়সা গুনতে হবে না।

এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন-ডিএসইর ট্রেকহোল্ডার শাকিল রিজভী এবং শরীফ আনোয়ার।

উল্লেখ্য এটি ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন (ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা পৃথক) পরবর্তী প্রথম বৈঠক।

এর আগে নাসডাকওমেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রবার্ট ফজর্ড বলেন, বিশ্বের বিখ্যাত ও ব্যয়বহুল এ সফটওয়ার চালু করতে যচ্ছে। এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে ডেরিভেটিব প্রোডাক্ট, কমোডিটি পণ্যও চালু করা যাবে। এতে করে দেশের পুঁজিবাজারের গভীরতা আরও বাড়বে বলেন তিনি।

গত ১০ মার্চ ডিএসইর পর্ষদ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ম্যাচিং ইঞ্জিন হিসেবে পাঁচ বছরের জন্য নাসডাক ওএমএক্সের জন্য খরচ হবে ৭৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। আর অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে বা ফ্রন্ট অ্যান্ড হিসেবে পাঁচ বছরের জন্য ফ্লেক্সট্রেড বাবদ খরচ হবে ১৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আর মোট খরচ হবে ৯৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় এ দুটি কোম্পানিকে দিতে হবে ৩৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা। আর ১০ বছরের জন্য একই ইঞ্জিন ব্যবহৃত হলে খরচ হবে ১৭৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা। তবে বুধবারের বৈঠকে এ টাকা কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এ সফটওয়্যারটি পোলারিস নামক কোম্পানির তৈরি। এটি ট্রেডিং প্লাটফর্ম নামে পরিচিত এবং এ সফটওয়্যার স্টক এক্সচেঞ্জে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আর স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যভুক্ত স্টক ব্রোকাররা ফ্রন্টএন্ডে অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।