ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সরাইলে দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে

0
63
বি.বাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ম্যাপ

বি.বাড়িয়াব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নারী পুরুষ ও শিশুসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। এসময় ৮ থেকে ১০ টি  বসতবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের দেওবাড়িয়া গ্রামে মাছ বিক্রিকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও গ্রামবাসী সূত্র জানায়,দেওবাড়িয়া গ্রামের মাছচাষী হাবিব মিয়া (৪০) গত বছর একই গ্রামের মিষ্টার আলীর (৩৫) কাছে মাছ বিক্রি করে তার পাওনা টাকা ঠিকমত পাননি। তাই এবছর তিনি চুন্টা গ্রামের আমির হোসেন (৩৫) ও লিটন মিয়ার (৩০) কাছে তার পুকুরের মাছ বিক্রি করেন। গত সোমবার রাতে আমির হোসেন পুকুরে মাছ ধরতে গেলে মিষ্টার আলী বাধা দেয়। এনিয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে মিষ্টার আলী ক্ষুদ্ধ হয়ে গতকাল  মঙ্গলবার রাতে পুকুরের নৈশপ্রহরী অহিদ মিয়াকে (৪২) মারধর করে এবং হাবিবের বসতঘর ভাঙচুর করে।

এ ঘটনার জের ধরে আজ বুধবার দুপুরে গ্রামের ইউপি সদস্য আলী আকবর ও মিষ্টার আলীর নেতৃত্বে তার লোকজন লাঠিসোটা, দা, বল্লম ও ইটপাটকেল  নিয়ে হাবিব মিয়ার লোকজনের ওপর হামলা চালায়। কিছুক্ষণের মধ্যে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। একঘণ্টা স্থায়ী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। হামলাকারিরা হাবিব মিয়ার পক্ষের ফুল মিয়া, মতি মিয়া, নওয়াব মিয়া, শফি উদ্দিন, হাবিব মিয়া ও আবু তাহেরের ৮ থেকে ১০ টি বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে। পরে সরাইল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। সংঘর্ষে গুরুতর আহতরা হাবিব মিয়ার পক্ষের কুদ্দুছ মিয়া (৩৫), ফিরোজ মিয়া (৩০), রুবেল মিয়া (১৫), জয়নাল মিয়া (১৬), ফারুক মিয়া (২৮), সাইকুল ইসলাম (২৫), রেহমান মিয়া (৪২), সাত্তার মিয়া (৪৫), উজ্জল মিয়া (২০) ও আলকাছ আলীকে (৪৫) জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলী আরশাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে গ্রামের পরিস্থিতি শান্ত আছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

এসপি/সাকি