যাদের ঘুমের সমস্যা তাদের জন্য

0
100

sleep2ঘুম দেহ ও মনে এনে দেয় প্রশান্তি। একটা ভালো ঘুমের পর মন হয়ে যায় ফুরফুরে।আমাদের অনেকেরই ভাল ঘুম না হওয়ার সমস্যা রয়েছে। রাতে স্বাভাবিক পরিমাণে ঘুমের অভাবে মানসিক সমস্যা সৃষ্টি করে। এছাড়া উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিসের মতো অসুখও শরীরের বাসা বাঁধতে পারে শুধুমাত্র ঘুমের সমস্যা থেকে।

  নিয়মিত ঘুমের জন্য যা করতে হবেঃ

১।বাইরে থেকে ফিরে গোসল সেরে নিন। সারা দিনের কান্তি এক নিমিষে চলে যাবে |
২।সন্ধ্যার পরই চা-কফি খাওয়া বন্ধ করে দিন |
৩।ঘুমোতে যাওয়ার বেশ কিছুক্ষণ আগে টিভি, কম্পিউটার বন্ধ করুন|
৪।পরের দিনের কাজের পরিকল্পনা আগেই করে ফেলুন, টেনশনে ঘুম নষ্ট হবে না|
৫।ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ২ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিন রাত ১০টা / ১১টার মধ্যেই ঘুমোতে যান। এ সময় বিছানায় গেলে ভালো ঘুম হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে|
৬।বিছানা আর শোবার ঘর যেন আরামদায়ক হয়। বেশি গরম বা বেশি ঠান্ডা যেন না হয় এবং সেখানে যেন বেশি আওয়াজ না হয়|
৭।নিয়মিত এক্সারসাইজ করুন।হাঁটা বা সাঁতার কাটা শরীরের জন্য ভাল|

৮। ঘুমানোর আগে এক কাপ দুধ খেয়ে ঘুমান।

৯।প্রিয় জীবনসঙ্গীর সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখুন, সারাদিনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন বিষয় শেয়ার করুন চেষ্টা করুন দুশ্চিন্তা না করার সব ধরনের মাদক থেকে দূরে থাকুন|

১০।বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া ঘুমের ওষুধ খাবেন না|

১১।যদি ঘুম না আসে, জোর করে ঘুমানোর চেষ্টা না করে উঠে বই পড়ুন, টিভি দেখুন অথবা পছন্দের গান শুনুন|

১২।সুযোগ পেলেও দিনে বেশি সময় ঘুমাবেন না |

১৩।ঘরে বেশি আলো ঢুকে যেন ঘুমে ব্যাঘাত না ঘটায় না নিশ্চিত করুন। প্রয়োজনে ভারি পর্দা ব্যবহার করুন।

১৪।শোবার ঘরটি অযথা একগাদা জিনিস দিয়ে ভরে রাখবেন না।

বিশেষজ্ঞরা বলেন একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির প্রতিদিন অন্তত ৬ ঘণ্টা গভীর ঘুম হতে হবে। বন্ধুরা এতো কিছু করার পরও যদি ঘুমের সমস্যা না যায় তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।