কৃষি খাতে গবেষণা ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে গুরুত্বারোপ এফবিসিসিআই’র

0
23
ছবি: জয়নাল আবেদিন।

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষি খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের অর্থনীতিতে কৃষিখাতের অবদানের বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে এ খাতে প্রয়োজনীয় গবেষণা বৃদ্ধি এবং কৃষিপণ্যের রপ্তানি বহুমূখীকরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে ব্যবসায়ীদের অন্যতম সংস্থা এফবিসিসিআই। কৃষিখাতের সহায়তায় কৃষি যন্ত্রপাতি শুল্কমুক্তভাবে আমদানির ওপরও জোর দিয়েছে সংস্থাটি।

আজ মঙ্গলবার ‘অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জনে কৃষিপণ্যের বহুমূখী ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক মানের ভ্যালু এডিশন’ শীর্ষক সেমিনারে এসব মতামত তুলে ধরা হয়।

কৃষি ক্ষেত্রের উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ এগ্রো-বেসড প্রোডাক্ট প্রডিউসার অ্যান্ড মার্চেন্টস এসোসিয়েশন (বিএপিএমএ) এফবিসিসিআই সম্মেলনকক্ষে এ সেমিনারের আয়োজন করে।

ছবি: জয়নাল আবেদিন।

সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে আমাদের বিপুল কৃষিপণ্য ভান্ডার থেকে আরও পণ্য রপ্তানির  উদ্যোগ নেওয়া দরকার বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি কৃষিপণ্যে ভ্যালু এডিশনের মাধ্যমে নতুন বাজার খোঁজা দরকার বলে তারা মত দেন তারা।

বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম (মহিউদ্দিন)। বিএপিএমএ’র সভাপতি মো. রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. খুরশীদ আলম।

সেমিনারে এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম বলেন, বিশ্বজুড়ে ৯০ বিলিয়ন ইউএস ডলারের অর্গানিক ফুডের যে বিশাল বাজার রয়েছে, দেশের কৃষি খাতের বিপুল সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে তার সুযোগ নেওয়া যেতে পারে। জাতীয় উৎপাদনে কৃষি খাতের অবদান আগের চেয়ে কমে এলেও দেশের মোট কর্মসংস্থানের ৪৫ শতাংশ কৃষি খাতের অন্তর্ভুক্ত। এখাতের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় গবেষণার উদ্যোগ নেওয়া দরকার। রপ্তানিযোগ্য কৃষিপণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং টেস্টিং কার্যক্রম সতর্কতার সঙ্গে করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। এছাড়াও তিনি কৃষি যন্ত্রপাতির শুল্কমুক্ত আমদানি সুবিধা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান শফিউল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু বলেন , বাংলাদেশের কৃষিপণ্য ভান্ডারকে আমরা রপ্তানি আয়ের অন্যতম উৎসে পরিণত করতে পারি। তবে কৃষিপণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে উৎপাদন বৃদ্ধি প্রক্রিয়া এবং প্যাকেজিং প্রক্রিয়ায় যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। আশার কথা হচ্ছে, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে সচেতনতা আগের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশীয় অর্থ বাঁচাতে শুধু রপ্তানি নয় বরং আমদানি বিকল্পপণ্য উৎপাদনের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

অর্থসূচক/জয়নাল/জেডআর