বাজেটে ন্যূনতম কর প্রত্যাহার চায় সিএনজি মালিকরা

0
71

NBR 2আসন্ন ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস (সিএনজি) বিক্রির ওপর নির্ধারিত ন্যূনতম কর প্রত্যাহার চায় বাংলাদেশ সিএনজি স্টেশন মালিক সমিতি। একই সাথে স্টেশনের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানিতে  নির্ধারিত সম্পুরক শুল্কও প্রত্যাহার চায় সংগঠনটি।

বুধবার রাজধানীর সেগুন বাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে তেল, গ্যাস, খাদ্য, পানীয় ও সিগারেট জাতীয় পণ্য উৎপাদন ও বিপণন সংশ্লিষ্ট সংস্থার সাথে এনবিআরের প্রাক বাজেট আলোচনায় এ দাবি জানায় সংগঠনটি।

এনবিআর সভাপতি গোলাম হোসেনের পরিচালনায় আলোচনায় তেল, গ্যাস, খাদ্য, পানীয় ও সিগারেটের সাথে জড়িত ১৫টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও ৭টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেয়। এছাড়া এনবিআরের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় বাংলাদেশ সিএনজি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির খান বলেন, আজ থেকে ৪ বছর আগে আমাদের গ্যাসের প্রতি ইউনিটের ক্রয় মূল্য ২.৪৭ টাকা আর বিক্রয় মূল্য ৭ ছিল টাকা। বর্তমানে ক্রয়মূল্য ২৩ টাকা এবং বিক্রয় মূল্য ৩০ টাকা। এখানে আমাদের লাভের পরিমাণ পাঁচ গুনেরও বেশি কমে গেছে।  অথচ রাজস্ব বোর্ড পূর্বের ন্যায় সিএনজি বিক্রির উপর ৫ শতাংশ হারে কর আদায় করে থাকে।

কিন্তু জাতীয় গ্রীড থেকে নেওয়া গ্যাসের দামের তুলনায় বিক্রয় মূল্য খুব বেশি না হওয়ায় কর প্রদান করে ব্যবসা করা স্টেশন মালিকদের জন্য কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়ছে বলেও জানান তিনি।

সেই সাথে যন্ত্রাংশ আমদানিতে  ৩ থেকে ৫  শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক দেওয়া বাধ্যবাধকতা থাকায় বাধ্য সিএনজি মালিকরা ন্যুনতম মুনাফা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলেও দাবি করেন আলমগীর কবির।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য সংগঠনের মধ্যে বাংলাদেশ সোলার এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দীপাল বাড়ই সোলার উৎপাদনে এলইডির ওপর কর ২৭.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার দাবি করেন। এছাড়া নতুন শিল্প হিসেবে সোলারের বিকাশকে উৎসাহিত করতে এর কাঁচামাল আমদানির উপর শুল্ক প্রত্যাহারের দাবিও জানান তিনি।

বাংলাদেশ চিনি উৎপাদন সমিতির সভাপতি জাফর উল ইসলাম চিনি উৎপাদন ও বিক্রি যে কোনো একটির উপর কর প্রত্যাহারের আাবেদন জানান। এছাড়া বিক্রির উপর ১৫ শতাংশ মূসকের পরিবর্তে ৬ শতাংশ করার দাবি করেন বাংলাদেশ সুইটস ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা।