তানজানিয়া থেকে দেড় হাজার মেট্রিক টন ছোলা আমদানি করছে টিসিবি

0
73

cholaরমজানের ছোলার বাড়তি চাহিদা মেটাতে ও দাম স্বাভাবিক রাখতে দেড় হাজার মেট্রিক টন ছোলা আমদানি করছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। সব কিছু  ঠিক থাকলে আগামি ৩০ দিনের মধ্যে টিসিবির কাছে এই ছোলা পৌঁছাবে বলে নিশ্চিত করেছেন সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা হুমায়ন কবির।

কাঙ্খিত মান ও দর পাওয়ার কারণে তানজানিয়া থেকে এই পরিমাণ ছোলা আমদানি করা হচ্ছে। আর এটা সময়মতো টিসিবির কাছে পৌঁছালে রমজানে ছোলার কোনো ঘাটতি হবে না বলে জানায় সংস্থাটি। তবে রমজানকে সামনে রেখে চতুর্থবারের মতো দরপত্র আহ্বান করেছে টিসিবি।

সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা হুমায়ন কবির অর্থসূচককে জানান, এবার তানজানিয়া থেকে ছোলা আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। সিঙ্গাপুর ভিত্তিক কোম্পানি একটি কোম্পানি এই ছোলা সরবরাহ করছে বলে জানান তিনি।

টিসিবির সেল করা অন্যান্য পণ্য আমদানি ও মজুদ থাকলেও খেজুর আমদানির জন্য চতুর্থবারের মতো দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আর এটা হয়ত সৌদি, আমিরাত কিংবা মধ্যপ্রচ্যের অন্য দেশ থেকে আমদানি করা হবে। তবে শিগগিরই খেজুর আমদানির প্রক্রিয়া শেষ হবে বল জানান তিনি।

রমজান ও পরবর্তী সময়ে নিত্যপণ্যের বাজার স্বাভাবিক রাখতে একটু আগেভাগে কার্যক্রম হাতে নেয় টিসিবি। নিত্যপণ্যের মজুদ বাড়াতে তেল, চিনি, ছোলা, খেজুর ও ডাল আমদানির করে সংস্থাটি।

এবছর সংস্থাটি প্রাথমিকভাবে ৩ হাজার মেট্রিক টন তেল, দেড় হাজার মেট্রিক টন ছোলা, ১৫০ মেট্রিক টন খেজুর ও ২ থেকে ৩ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রথমবার দরপত্র আহ্বানের ব্যবসায়ীরা সাড়া না দেওয়ায় নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে কয়েকবারে অন্য পণ্যের আমদানির ওপর সিদ্ধান্ত হলেও খেজুরের কোনো সুরহা হয়নি। তাই চতুর্থবারের মতো এই দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, কিছু নিত্যপণ্যের দর সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে প্রতিবছর খোলা বাজারে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম পরিচালনা করে টিসিবি।

টিসিবির নিজস্ব ৪টি বিক্রয় ক্রেন্দ্রসহ রাজধানীর প্রায় ৩৫টি স্থানে ট্রাকে করে এই বিক্রি কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। তাছাড়া বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতেও টিসিবির খোলা বাজারে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে।

এদিকে গত অর্থবছরে রমজান ও বাকী সময়ের জন্য দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে মন্ত্রণালয় ৫০ হাজার টন চিনি, ১৩ হাজার টন সয়াবিন তেল, ৮ হাজার টন পাম অলিন, ১০ হাজার টন মসুর ডাল এবং ২ হাজার টন ছোলা সংগ্রহের নির্দেশ দেয়।

তবে কেবল রমজান মাসকেই সামনে রেখে ১৫ হাজার টন চিনি, ১০ হাজার টন ভোজ্যতেল, ১০ হাজার টন মসুর ডাল এবং ২ হাজার টন ছোলা মজুতের নির্দেশনা দেওয়া হয়।