বাড়ছে খেজুর আমদানি, দাম থাকবে নাগালে

0
121

datesরমজানকে সামনে রেখে দেশের বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবছর বাড়ছে খেজুর আমদানি। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আগের বছরের তুলনায় এই বছর বাড়তি পাঁচ হাজার মেট্রিক টন খেজুর আমদানি করা হবে। আর অতিরিক্ত এই খেজুর আমদানির কারণে এবার রমজানে খেজুরের দামও তুলনামূলক কম হবে।

আবার কোনো কোনো ব্যবসায়ী মনে করছেন, এবছর রমজানে আম-কাঁঠালের মতো মৌসুমি ফলগুলো প্রচুর পরিমানে বাজারে থাকবে। এর ফলে আমদানি করা ফলের চাহিদা কমবে, কমবে দামও।

ঢাকা মহানগরী ফল আমদানি-রপ্তানিকারক ও আড়ৎদার ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, রমজান মাসকে সামনে রেখে চলতি বছর মোট ৪০ হাজার মেট্টিক টন খেজুর আমদানি করা হবে।

উল্লেখ্য, গত বছর ৩৫ হাজার মেট্টিক টন খেজুর আমদানি করা হয়েছিল। তবে সে সময় চাহিদা বেশি থাকায় ও সরকারিভাবে কিছু মেয়াদোর্ত্তীর্ন খেজুর আমদানি করায় চাহিদার বিপরীতে বাজারে সরবরাহ কমে যায়। ফলে সে সময় সরকার এবং ব্যবসায়ীদের তরফ থেকে খেজুরের দাম কম হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হলেও রমজান মাসে এসে তা আর বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

সিরাজুল ইসলাম জানান, দেশে বর্তমানে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন খেজুরের চাহিদা আছে। মূলত রমজান মাসেই খেজুরের চাহিদা বেশি থাকে। আর এই বাড়তি চাহিদা মেটাতে প্রতিবছরের মতো এবারও খেজুর আমদানি করা হচ্ছে।

ঢাকা মহানগরী ফল আমদানি-রপ্তানিকারক ও আড়ৎদার ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সদস্য ও এমএস মিশু ট্রেডার্সের মালিক শ্রী সাধন চন্দ্র শাহা বলেন, এ বছর আমরা গত বছরের চেয়ে ৫ হাজার মেট্টিক টন খেজুর বেশি আমদানি করবো। এই বাড়তি খেজুর আসায় রমজান মাসে খেজুরের দাম কম থাকবে।

তিনি জানান,এ বছর রমজান শুরু হবে জুনের শেষের দিকে, তখন আমাদের দেশের আম, কাঁঠাল, পেয়ারাসহ নানা মৌসুমী ফল থাকবে। যা আমদানি ফলের উপর চাপ কমাতে সাহায্য করবে।

প্রসঙ্গত, রমজানকে সামনে রেখে বাংলাদেশে বেশির ভাগ খেজুর আমদানি করা হয় ইরাক, ইরান, তিউনেশিয়া, আলজেরিয়া, সংয়ুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব থেকে। যার বেশিরভাগই আসে প্যাকেটজাত হয়ে। আর খোরমা আমদানি করা হয় পার্শ্ববর্তী দেশ পাকিস্তান থেকে।

তবে খেজুর আমদানি যে দেশ থেকেই করা হোক না কেন , বাজারে এর দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখা হবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

অর্থসূচক.কম/এসএস/