শেষ ভালো যার, সব ভালো তার

0
51
bd cricket team

bd cricket teamএকের পর এক কথার খৈ ফুটিয়ে এ যাবত কোনো রকম জয় ছাড়াই শেষ হতে যাচ্ছে টিম টাইগার্সের টি-২০ বিশ্বকাপ মিশন। কোয়ালিফায়িং পর্বে হংকংয়ের সাথে পরাজয় দিয়ে শুরু করার পর জয় যেন শত আলোক বর্ষ দূরে চলে গেছে মুশফিকদের। আর তাই আয়োজনের মগডালে থেকেও সফলতার কোনো ফল এখন পর্যন্ত ছুঁতে পারেনি বাংলাদেশ।

বরাবরের মতো আজকের শেষ ম্যাচেও জয়ের কথা ব্যক্ত করেছেন টাইগার দলপতি। অতীতের কথা বাদ দিলে বিশ্বকাপের এই আসরে লড়াইয়ের দিক থেকে টাইগারদের সমানে সমান আজকের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া। ৩টি ম্যাচ খেলে একটিতেও জয় পায়নি অসিরা। তবে আন্তর্জাতিক টি-২০তে এর আগে দুইবার মোকাবেলা করে অসিদের কাছে হেরেছে টিম টাইগার্স।

তবে এসবই ভুলে যেতে পারে এ দেশের ক্রিকেটপাগল মানুষ, যদি আজ কোনোভাবে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দেওয়া যায়। মুশফিকদের চিন্তায় এখন শুধু শেষের এই ভালোটাই উপহার দেওয়া ভক্ত-সমর্থকদের।

আজকের ম্যাচের জয়-পরাজয় মোটা দাগে প্রভাব ফেলবে না বিশ্বকাপের বাংলাদেশ আসরে। ইতোমধ্যে সেরা চারের তিনটি দল নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছে সেমিফাইনালে। তবুও অন্তত একটি ম্যাচে জয় নিয়ে দেশে ফিরতে চায় অস্ট্রেলিয়া।

হোম কন্ডিশনে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে বাংলাদেশ। মুশফিকরা খেলবেন নিজ দেশের মাটিতে। এখানকার গ্যালারি, হাজার হাজার সমর্থক রয়েছে তাদের পক্ষে। এটা অনেক বড় একটি সুবিধা। তার ওপর, অস্ট্রেলিয়ার স্পিন দুর্বলতা। পাকিস্তান আর ভারতের বিপক্ষে কীভাবে তারা স্পিনে নাস্তানাবুদ হয়েছে, তা এরই মধ্যে দেখা গেছে। বাংলাদেশের স্পিন শক্তি এবং স্লো উইকেটকে যে এখন ভয় পাবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বাংলাদেশ আর অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে আজ পার্থক্য বলতে এটুকুই।

এছাড়া মানসিকতা, শক্তি, সামর্থ্যে কোনো দিক দিয়েই কেউ কারও চেয়ে আজ পিছিয়ে নেই। অসিদের এ দুর্বলতাগুলো কাজে লাগিয়েই আজ অন্তত মুশফিকরা ভালো কিছু উপহার দিতে পারেন বাংলাদেশকে। তার ওপর গতকাল চট্টগ্রামে যেভাবে ডাচরা ধরাশায়ী করেছে ইংল্যান্ডকে, তা দেখে অনুপ্রেরণা পেতে পারেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও।

কেএফ