সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঋণাত্মক ইক্যুইটির হিসাবেও শেয়ার কেনা যাবে

0
50
Share Taka
Share Taka

Share_Taka_2পুঁজিবাজারে চলমান মন্দার কারণে মার্জিন ঋণ বিধিমালার কিছু শর্ত শিথিলের সময় বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি)। আগামি ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৯৯৯ সালের মার্জিন ঋণ বিধিমালার ৩(৫) ধারার কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়েছে। এর ফলে ঋণাত্মক ইক্যুইটির হিসাবেও শেয়ার লেনদেনের সুযোগ দিতে পারবে ঋণদাতা মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারহাউজগুলো। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শর্ত শিথিলের ফলে পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক ধসে ইক্যুইটি নেগেটিভ বা ঋণাত্মক হয়ে পড়া ছোট-বড় অসংখ্য বিনিয়োগকারী শেয়ার কেনার সুযোগ পাবেন। আগের ঘোষণা অনুসারে আজ ৩১ মার্চ শর্ত শিথিলের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। এমনটি হলে কয়েক হাজার  মার্জিন একাউন্ট পুরোপুরি ব্লক হয়ে যেত। সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কিনতে না পারলে কমে যেতো লেনদেনের পরিমাণ।

উল্লেখ, ওই ধারা অনুসারে শেয়ারের দর পতনের কারণে বিনিয়োগকারীর ডেবিট ব্যালেন্স ১৫০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান তার কাছে নতুন করে মার্জিন চাইবে। আর এ মার্জিনের পরিমাণ এমন হতে হবে যাতে তার ডেবিট ব্যালেন্স ১৫০ শতাংশের উপরে থাকে। নতুন মার্জিন নগদ টাকা অথবা লেনদেনযোগ্য  শেয়ার বা বন্ডে দেওয়া যাবে। মার্জিন জমা না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীর হিসাবে কোনো লেনদেন করা যাবে না।

পুঁজিবাজারে ২০১০ ও ২০১১ সালে ধসের ফলে অসংখ্য বিনিয়োগকারীর মার্জিন হিসাব ঋণাত্মক হয়ে পড়ে অথবা ডেবিট ব্যালেন্স ১৫০ শতাংশের নিচে নেমে আসে। এসব বিনিয়োগকারী শেয়ার কেনার জন্য মার্চেন্ট ব্যাংক অথবা ব্রোকারহাউজ থেকে মার্জিন বা ঋণ নিয়েছিলেন।

বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনা করে মার্জিন ঋণের শর্ত শিথিলের সময় ৬ মাস বাড়িয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি)। অর্থসূচককে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মূখপাত্র সাইফুর রহমান।

তিনি বলেন,মার্জিন ঋণ সংক্রান্ত যে সুযোগস সুবিধা ছিল তা আজকে শেষ হয়েছে। সময় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) আবেদনের প্রেক্ষিতে এ সময় বাড়ানো হলো।

প্রসঙ্গত,গত ৩০ মার্চ নিকুঞ্জে অনুষ্ঠিত ডিএসইর পর্ষদ সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার সকালে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ সময়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় ডিএসই।

জিইউ