যুক্তরাষ্ট্র ও মালয়েশিয়ায় এক্সচেঞ্জ হাউজ খুলবে ব্যাংক এশিয়া

0
74

Bank_Ashia_AGMযুক্তরাষ্ট্র ও মালয়েশিয়ায় এক্সচেঞ্জ হাউজ খুলবে ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড। এই হাউজ ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বা সাবসিডিয়ারি হবে। দেশ দুটি থেকে আরও বেশি রেমিট্যান্স নিয়ে আসার লক্ষ্য এ ব্যবস্থা নিচ্ছে ব্যাংকটি।

সোমবার অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির ১৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) চেয়ারম্যান রউফ চৌধুরী এ কথা বলেন। রাজধানীর লেডিস ক্লাবে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এজিএমে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান রউফ চৌধুরী আরও জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকের অনুমোদন দিলে ব্যাংক এশিয়া প্রত্যেক জেলায়  চালু করবে।

বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সমাপ্ত অর্থবছরে ব্যাংকটি মুনাফা করেছে ১৩৩ কোটি ৫৩ লাখ  টাকা। যা আগের বছর একই সময় করেছিল ৮৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি আয় করেছে ১ টাকা ৯২ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ১ টাকা ২৩ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছেরর তুলনায় ৫৬ শতাংশ মুনাফা বেড়েছে ব্যাংকটির।

এ প্রসঙ্গে রউফ চৌধুরী  বলেন, ২০১৩ সালে নানা রাজনৈতিক প্রতিবন্ধকতার কারণে দেশের জিডিপি কমে গেছে। তারপরেও ব্যাংক এশিয়া তার প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রেখেছে। তবে এ বছর ব্যাংকটির শ্রেণীকৃত ঋণের পরিমাণ বেড়ে গেছে। আর এই ঋণ আদায়ে তদারকি শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, আলোচ্য বছরে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লভ্যাংশে তিনি সন্তুষ্ট না। ভবিষ্যতে শেয়ারহোল্ডারদের আরো আকর্ষণীয় লভ্যাংশ  দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও করেন ব্যাংকটির চেয়ারম্যান।

ব্যাংকের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মোদ হোসেন বলেন, আগামিতে ব্যাংক এশিয়া শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ক্যাশ লভ্যাংশ দিবে। বর্তমানে সারাদেশে ৯৬টি এটিএম বুথ রয়েছে। তিনি বলেন, ব্যাংকের বুথ আরো  বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে পর্ষদের।

শেয়ারহোল্ডাররা বলেন, ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণ বেড়ে  ৫৮৭ কোটি টাকা হয়েছে। এই মন্দ ঋণের সাথে যারা জড়িত, তাদের তালিকা করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান তারা। আগামিতে আরো বেশি লভ্যাংশ দেওয়ার দাবি করেন তারা।

এছাড়া এজিএমে ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ সহ অন্যান্য আজেন্ডাগুলো পাশ করে নেওয়া হয়।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান রুমি হোসেন, পরিচালক মশিউর রহমান, নুরুল আলম, ইকবাল সাইদ,  ইরফান সাইদ, ফারহানা হক চৌধুরী, সোহানারা চৌধুরী এবং ব্যাংকের সচিব আমিনুল ইসলাম।

এসএ/