পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের অবস্থান কর্মসূচি

0
55

সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, হামলা ও ভাংচুর এর প্রতিবমুন্সীগঞ্জে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে আধা ঘন্টা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন সাংবাদিকরা। সেই সাথে জেলা রির্টানিং অফিসারে কাছে স্মারকলিপি দাখিল করেছেন তারা।

উপজেলা নির্বাচনে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও হামলা-ভাংচুর ও ল্যাপটপ লুটের প্রতিবাদে তারা এই কর্মসূচি পালন করেন।

রোববার দুপুর ১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক কার্যালয় ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবে ঘোষিত ৩ দিনের প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি পালন করেন জেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।

রোববার দুপুর ১টার দিকে বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপজেলা নির্বাচনে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি ও গজারিয়া উপজেলায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও ল্যাপটপ লুটের প্রতিবাদে স্মারকলিপি দাখিল করা হয়। এর নেতৃত্ব দেন মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শহীদ-ই-হাসান তুহিন ও সাধারণ সম্পাদক কাজী সাবিবর আহমেদ দীপু। এ সময় জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও জেলা রির্টানিং অফিসার মো. সারোয়ার মোর্শেদ চৌধুরী সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন জেলার সাংবাদিকরা। এতে জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

মতবিনিময় সভায় প্রশাসনের কর্মকর্তা ছাড়াও মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শহীদ-ই-হাসান তুহিন, সাধারণ সম্পাদক কাজী সাব্বির আহমেদ দীপু, সাবেক সভাপতি মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জল,সিনিয়র সাংবাদিক মাহাবুব আলম বাবু, প্রেসক্লাবের যুগ্ন-সম্পাদক মামুনুর রশীদ খোকা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুজন হায়দার জনি, ত্রাণ ও কল্যাণ সম্পাদক ভবতোষ চৌধুরী নুপুর, এনটিভি জেলা প্রতিনিধি মঈনউদ্দিন আহমেদ সুমনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ভিডিও ক্যামেরা, ফটো ক্যামেরা, ল্যাপটপ, নিউজ প্যাড ও কলম রাস্তায় বিছিয়ে রেখে আধা ঘণ্টাব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাব ও টঙ্গিবাড়ী প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা।

এ সময় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী সাবিবর আহমেদ দীপু বলেন, সদর উপজেলা ও গজারিয়া উপজেলা নির্বাচন চলাকালে প্রেসক্লাব সভাপতি শহীদ-ই-হাসান তুহিনসহ সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনার ৭ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ প্রশাসন জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকি লুণ্ঠিত ল্যাপটপ ও ক্যামেরাও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

এছাড়া নির্বাচন চলাকালে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ৩১ মার্চ জেলার ৩টি উপজেলা নির্বাচনে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন বলেও তিনি জানান।

কেএফ