নির্ঘুম রাত কাটে খুলনার বিনিয়োগকারীদের

0
68
sharebazar
ব্রোকারহাউজে লেনদেনে ব্যস্ত বিনিয়োগকারী

sharebazarকোনোভাবেই সূচকের উত্থান দীর্ঘ হচ্ছে না। দু-এক দিন বাড়লে তা আবারও পতনে মিশে যায়। বাজারের এই মন্দা আচরণে বিনিয়োগকারীদের শেয়ারের দাম প্রতিদিনই কমছে। ফলে পুঁজির শেষ অংশটুকু হারানোর চিন্তায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন খুলনার প্রায় লক্ষাধিক বিনিয়োগকারী।

সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন সোমবার শিল্পনগরী খুলনার বিনিয়োগকারীরা অর্থসূচক প্রতিনিধিকে তাদের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন।
তাদের অভিযোগ বাজার উন্নয়নে সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কোনো পদক্ষেপই কাজে আসছে না। যার কারণে চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন তারা।
বিনিয়োগকারী আনোয়ারুল ইসলাম জানান, চলমান বাজার পরিস্থিতিতে তার পুঁজির শেষ অংশটুকু হারিয়ে যেতে বসেছে। যার কারণে রাতে ঘুম হয়না বলেও তিনি জানান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিনিয়োগকারী বলেন, অর্থ কষ্টে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছি। রাতে ঘুমের ওষুধ না খেলে ঘুম হয়না। আক্ষেপের সাথে তিনি বলেন, আমাদের এ কষ্টের কথা শোনার কেউ নেই।
বিনিয়োগকারী লিটন ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজারের বৈরী প্রভাব কোনভাবেই কাটছেনা। দিন যতই যাচ্ছে পুঁজিহারা বিনিয়োগকারীদের সংখ্যা ততই বাড়ছে। চলমান এ পরিস্থিতিতে কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে পড়েছি।
এদিকে হাউজ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ পরিস্থিতিতে অনেকেই পুঁজি হারানোর কষ্ট অথবা লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়েই বাজার থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন।
সিনহা সিকিউরিটিজ হাউজের খুলনা শাখা কর্মকর্তা এস এম ইজাজুল হক ইজাজ বলেন, প্রায় দুই মাস ধরে নতুন করে বাজারে মন্দাভাব অব্যাহত থাকায় স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা বাজারের প্রতি আস্থা রাখতে পারছেন না।
তিনি জানান, বিনিয়োগকারীরা বাজার পরিস্থিতি নিয়ে অনেকটাই হতাশায় ভুগছেন। সে কারণে তারা লেনদেন করছেন না।
এম সিকিউরিটিজ হাউজের খুলনা শাখা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিনিয়োগকারীরা আশাবাদী হতে পারছেন না। ফলে তারা শেয়ার লেনদেন না করায় হাউজে আর্থিক লেনদেন বাড়ছে না।

এআর