শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের ব্যাপারে ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছে চীন: বাণিজ্যমন্ত্রী

0
66
তোফায়েল আহমেদ ব্রাক সেন্টার
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ: ছবি: অর্খসুচক

তোফায়েল আহমেদ ব্রাক সেন্টারবাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চীনের বাজারে সব পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার চায় বাংলাদেশ। এই ব্যাপারে চীন বাংলাদেশকে আশ্বস্থ করেছেন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

রোববার বিকেলে  বাংলাদেশ সচিবালয়ে ঢাকা সফররত চীনের ইউনান প্রদেশের গভর্নর লি জিং’র নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময়ের পরে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ চীনে রপ্তানি করেছে ৪৫ কোটি ৮১ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। এর বিপরীতে  চীন থেকে আমদানি করা হয়েছে ৬৩২ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের এখনকার বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে ৫৮৬ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার।

তবে সম্প্রতি বাংলাদেশ রপ্তানি বৃদ্ধি করে এ বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। এখন দেশটি বাংলাদেশকে সীমিত সংখ্যক পণ্যের উপর শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিচ্ছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে সব পণ্যের ওপর শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার চাওয়া হয়েছে। তারা বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিধি বৃদ্ধিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তিনি আরও বলেন, দেশটি বাংলাদেশের সঙ্গে  ব্যবসা-বাণিজ্যে সম্প্রসারণ করতে আগ্রহী। তাছাড়া এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। আর এজন্য কানেকটিভিটি স্থাপনে বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মায়ানমার সম্মিলিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে দাবি করেন তিনি। তিনি জানান, ইতোমধ্যে চীন এই অঞ্চলকে ইকনোমিক করিডোর হিসাবে আখ্যায়িত করেছে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন,  চীন বাংলাদেশের ভালো বন্ধু। দুই দেশের ব্যবসায়ীক সুসম্পর্ক দীর্ঘদিনের। বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের অনেক অবদান রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। বাংলাদেশে বাউশিয়ায় পোশাক পল্লী স্থাপন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে চীন সহযোগিতা করবে বলে জানান তিনি। তাছাড়া দেশটির ইউনান প্রদেশের কুম্বিংয়ে বাংলাদেশের জন্য কনসাল জেনারেলের অফিস ও বাংলাদেশের তৈরি পণ্যের জন্য স্থায়ী প্রদর্শনী কেন্দ্র নির্মাণে জন্য দেশটি সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

এ সময় বাণিজ্য  সচিব মাহবুব আহমেদ এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান শুভাশীষ বসু উপস্থিত ছিলেন।