হল-মার্কের বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

0
84
Sonali Bank & Hallmark Logo
সোনালী ব্যাংক ও হলমার্ক গ্রুপের লোগো

sonali_bank_hallmark_386843751জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে হল-মার্ক গ্রুপের বিরুদ্ধে অর্থঋণ আদালতে আরও একটি মামলা করেছে সোনালী ব্যাংকের হোটেল রূপসী বাংলা (সাবেক শেরাটন) শাখা। রোববার প্রায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১-এ মামলা করা হয়। এনিয়ে হল-মার্ক গ্রুপের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার সংখ্যা দশটিতে দাঁড়িযেছে । সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে কেলেঙ্কারির দুই বছর পর গত মঙ্গলবার ও গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১-এ মোট নয়টি মামলা করা হয়। মামলায় বিবাদী করা হয়েছে হল-মার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর মাহমুদ ও চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামকে।

এদিকে অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ১২(৩) ধারা অনুসারে হল-মার্কের বিভিন্ন সম্পত্তি নিলামে দেওয়া হয়। ১০ ও ১৬ মার্চ দুই দফায় এই নিলামের আহ্বান ছিল, কিন্তু দরদাতা পাওয়া যায়নি।

হল-মার্ক এক্সেসরিজের কাছে ১০ কোটি ৯২ লাখ টাকা, হল-মার্ক স্টাইলের কাছে নয় কোটি ১৮ লাখ এবং হল-মার্ক প্যাকেজিংয়ের কাছে এক কোটি আট লাখ টাকা পাওনা আদায়ে মামলা করা হয়। আর গত মঙ্গলবার হল-মার্ক ডেনিম কম্পোজিটের কাছ থেকে ১৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকা, হল-মার্ক নিট কম্পোজিট থেকে ছয় কোটি ৩৫ লাখ, জিসান নিট কম্পোজিট থেকে পাঁচ কোটি ১৩ লাখ, ফারহান ফ্যাশন থেকে ২৮ লাখ ৫৬ হাজার টাকা, পারফেক্ট অ্যামব্রয়ডারি থেকে পাঁচ কোটি ৬৫ লাখ এবং হল-মার্ক নিটিং অ্যান্ড ডায়িংয়ের কাছ থেকে তিন কোটি ৫৬ লাখ টাকা আদায়ে মামলা করা হয়।

ফন্দিফিকির, যোগসাজশ ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের হোটেল রূপসী বাংলা শাখা থেকে ২০০৯-১০ সালে দুই হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা তুলে নেয় হল-মার্ক গ্রুপ। এই অর্থ সরিয়ে নিতে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে অভ্যন্তরীণ বিল সৃষ্টি করে সোনালী ব্যাংকের স্বীকৃতি নেওয়া হয়, যার প্রায় অর্ধেকটা পরবর্তী সময়ে ফান্ডেড ঋণে পরিণত হয়েছে। এই ফান্ডেড ঋণগুলো আদায়ে এখন মামলা হচ্ছে।

অবশ্য, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০১২ সালের অক্টোবরে হল-মার্কের বিরুদ্ধে এক হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা জালিয়াতিতে ১১টি মামলা করেছে। এই মামলায় হল-মার্ক গ্রুপের এমডি তানভীর মাহমুদসহ, সোনালী ব্যাংক ও হল-মার্কের কয়েকজন কর্মকর্তা বর্তমানে কারাগারে আছেন।