দুর্নীতি প্রতিরোধ সপ্তাহ- ২০১৪ পালিত

0
72
duornity somabesh

duornity somabeshদুর্নীতি দমন কমিশনকে অভিনন্দন এই জন্য যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়াকে দুর্নীতির দায়ে বিচারের আওতায় আনার জন্য। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য।

শুক্রবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দুর্নীতি প্রতিরোধ সপ্তাহ- ২০১৪ পালন উপলক্ষ্যে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি ঢাকা মহানগর ওয়ারী জোনের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি ঢাকা মহানগর ওয়ারী জোনের সভাপতি কাজী মাসুদ আহমেদ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা বেগম আশরাফুন্নেছা মোশাররফ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম. এ জলিল, ন্যাপ-ভাসানীর চেয়ারম্যান মোসতাক আহমেদ ভাসানী, গণঅধিকার পার্টির সভাপতি মো. হোসেন মোল্লা, স্বাধীনতা পার্টির সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ-সম্পাদক অরুন সরকার রানা, জাসদ নেতা হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সাধারণ-সম্পাদক রোকনউদ্দিন পাঠান, সাধনা সংসদের সাধারণ-সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ডাল ভাত পার্টির যুগ্ম-আহ্বায়ক তারেক হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা শেখ মো. আলী আমান, বিএনএফ’র অন্যতম নেতা মিজানুর রহমান মিজু, পানি শাসন নদী সংস্কার সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি শাহাদাত হোসেন হামজা, শহীদ কাজী আরেফ ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি হেনা খন্দকার, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি ওয়ারী জোন শাখার সাধারণ-সম্পাদক ইন্দ্রজিত রাজবংশী, ইয়াসমিন সুলতানা ও রেহানা আক্তার প্রমুখ।

বক্তব্যে বেগম আশরাফুন্নেছা মোশাররফ বলেন, আজকের এই সমাবেশের মাধ্যমে আমরা বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে দুর্নীতিকে না বলব। আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সোনার বাংলা গড়ব। সেই লক্ষ্যে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। সাথে সাথে দুর্নীতি দমন কমিশনকে অভিনন্দন জানাই বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়াকে বিচারের আওতায় আনার জন্য এবং প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাই তিনি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চান।

তিনি আরও বলেন, প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের অধীনে ৯ মাসের যখন মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল তখন মেজর জিয়া সেক্টর কমান্ডার হিসেবে কাজ করেছেন এবং মুক্তিযুদ্ধের পর বঙ্গবন্ধুর মাধ্যমে বীরউত্তম উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যেই সরকার পরিচালিত হয়েছিল সেই সরকারের উপ সেনা প্রধান ছিলেন জিয়া। জিয়া ৯ মাসের যুদ্ধের সময় প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের অধীনে ৫০০ টাকার বেতনভুক্ত কর্মচারী ছিলেন। আজকে আমাদের লজ্জা হয় বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান জিয়াকে প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে অভিহিত করছেন। আমাদের এই সভা থেকে দাবী বেগম খালেদা জিয়া তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। অন্যথায় বাঙালি জাতি তাকে আইনের মাধ্যমে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে।