১৩৮ রানের আগেই থামাতে হবে ভারতকে

0
66
bangladesh

bangladeshজয়ের জন্য ভারতকে অবশ্যই ১৩৮ রানের মধ্যে থামাতে হবে টাইগার বোলারদের। ভাল বল করার পাশাপাশি কাটিয়ে উঠতে হবে আগের ম্যাচের ফিল্ডিং ব্যর্থতাও। তা না হলে কোন কাজেই দেবে না ১৩৮ রানের এ মামুলি সংগ্রহ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে বাংলাদেশকে ব্যাটিং করার আমন্ত্রন জানায় ভারতীয় কাপ্তান মহেন্দ্র সিং ধোনি। ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারে ১৩ রান নিয়ে ভাল সূচনার ইঙ্গিত দিলেও তৃতীয় ওভারেই শুরু হয় বিপর্যয়। ১০ বল খেলে ৬ রান স্লিপে সহজ ক্যাচ দিয়ে বিদায় নিলেন ধারাবাহিক ব্যর্থ হওয়া তামিম ইকবাল। আর পরের বলেই উঠিয়ে মারতে গিয়ে আউট কোন শামসুর রহমান শুভ। এরপর ক্রিজে এসে এক বলে একরান করেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু অমিত মিশ্রার প্রথম বলেই ব্যাট-প্যাড থেকে বোল্ড হয়ে ফেরেন সাকিব আল হাসান। দলীয় ২১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর প্রাথমিক বিপদ  সামলান আনামুল ও মুশফিক।  এরপর ১১ ওভারে ৬৭ রানে মুশফিক আউট হলেও দলীয় রান ৮১ পর্যন্ত নিয়ে যান আনামুল হক। ব্যক্তিগত ৪৪ রান করে আবারও মিশ্রার শিকারে পরিণত হন আনামুল। এরপর মাহমুদুল্লাহ কিছুটা মারকুটে ভুমিকায় গিয়ে ২৩ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকলে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৮ রানে। এছাড়া মুশফিকুর রহিম ২৪ ওনাসির হোসেন করেন ১৭ বলের মোকাবেলায় ১৬ রান। ভারতের পক্ষে অমিত মিশ্রা ৩টি ও রবীন্দ্র অশ্বিন ২টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ভুবেনেশ্বর কুমার ও সামি একিট করে উইকেট লাভ করেন।

প্রথম ম্যাচে হেরে ব্যাকফুটে থাকা টাইগারদের জন্য আজকে ম্যাচটি বিশ্বকাপে টিকে থাকার। অপর দিকে ভারত দুই ম্যাচে জিতে মানসিক ভাবে এগিয়ে আছে। এগিয়ে গেল আজকের মাঠে নেমেও। জিতলো টসেও।

এখন পর্যন্ত ভারত ও বাংলাদেশ ২৫টি একদিনের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে। যার মধ্যে বাংলাদেশ জিতেছে মাত্র তিনটিতে, বাকি সবগুলেতেই ভারতের জয়। আর টি-টোয়েন্টিতে ২০০৯ সালে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একবারই মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। যাতে জয় পায় ভারতীয় দল।

এছাড়া সুপার টেনে প্রথমে পাকিস্তান ও পরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে জিতে তিন দিনের বিশ্রামে বেশ চাঙ্গা হয়ে আছে মহেন্দ্র সিং ধোনির দল ভারত।

এইউ নয়ন