দিনাজপুরে মেয়ের সামনে মাকে হত্যা

0
120
dinajpur_map
দিনাজপুর জেলা

dinajpurদিনাজপুর শহরের রামনগরে দুই মেয়ের সামনে মাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে গেছে পাষণ্ড পিতা। শুক্রবার সকাল ১০টার সময় শহরের রামনগর এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, দিনাজপুর শহরের মিস্ত্রিপাড়া এলাকার আব্দুল মালেকের কন্যা মুক্তা পারভীন (২৮) কে বিয়ের পর থেকেই স্বামী দিনাজপুর শহরের রামনগর (চামড়াপট্রি) এলাকার কুরবান আলীর পুত্র মো. শামীম আমান রাজু বিভিন্ন অজুহাতে নির্যাতন করতো। এরই মধ্যে মুক্তা দুই কন্যা সন্তানের মা হলে নির্যাতন আরও বেড়ে যায়।

মুক্তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে গলায় ওড়না পেচিয়ে মুক্তার লাশ শোবার ঘরে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যায় স্বামী রাজু।

এ ব্যাপারে হত্যাকাণ্ডের শিকার মুক্তার বড় মেয়ে রাইশা (১১) জানায়, আমার বাবা-মা সকালে ঝগড়া করেছিল। এক পর্যায় লাঠি দিয়ে আমার মাকে মারধর শুরু করে আমার বাবা। মারার এক পর্যায়ে মা মাটিতে পড়ে গিয়ে চিৎকার শুরু করলে বাবা গলাচিপে ধরে মাকে মেরে ফেলে। আমি ও  আমার ছোট বোন সাদিয়া আকতার রিশা কান্নাকাটি করলে আমার বাবা আমাদেরকে ভয় দেখিয়ে বলে তোরা যদি সত্য কথা বলিস তাহলে তোদেরকেও মেরে ফেলব। পরে আমাকে ও আমার ছোট বোনকে অন্য ঘরে আটকে রাখা হয়। পরে মায়ের লাশ ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যায় বাবা। আমি জোরে জোরে চিৎকার করলে এলাকার মানুষ এসে আমাকে ঘর থেকে বের করে।

নিহত মুক্তার পিতা অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক আব্দুল মালেক বলেন, আমার  মেয়েকে প্রায় সময় নির্যাতন করতো আমার জামাই। মেয়েকে হত্যা করে পালিয়ে যায় তার স্বামী। আমি এই হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ ব্যাপারে আব্দুল মালেক মেয়েকে হত্যার অভিযোগ এনে কোতয়ালী থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন।