তেলে পা পিছলিয়েছে বিনিয়োগকারীদের!

0
69
Emareld oil share trading

emarald share tradeএমারেল্ড অয়েলের শেয়ার কিনে যেন তেলে পা পিছলালো বিনিয়োগকারীদের। লেনদেন শুরু করার পর থেকে চার কার্যদিবস এই শেয়ারের দর বেড়েছে। তবে গত দুই কার্যদিবস এই শেয়ারের দর কমেছে।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার এমারেল্ডের শেয়ার দর ৩ টাকা বা ৬ শতাংশ কমে দর হারানোর শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় নেমে গেছে। এদিন শেয়ারটির সর্বশেষ দর ছিল ৫২ টাকা ১০ পয়সা। কোম্পানির ১৫ লাখ ৯২ হাজার শেয়ার এক হাজার ৯১২ বার লেনদেন হয়। যার বাজার মূল্য ছিল ২৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

উল্লেখ, গত ১৯ মার্চ পুঁজিবাজারে এমারেল্ড অয়েলের অভিষেক ঘটে। এদিন এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরু হয় ৫০ টাকা দরে। তখন থেকে দর বাড়তে বাড়তে ৬০ টাকা পর্যন্ত উঠে যায়। দিনের শেষভাগে অবশ্য দর নেমে আসে ৫৪ টাকা ৫০ পয়সায়। কিন্তু পরদিন আবার এ শেয়ারের দাম ৫৬ টাকা ৫০ পয়সা ওঠে। গত দু’দিনে সেখান থেকে কমে ৫২ টাকা ২০ পয়সা নেমে আসে।

দু’দিনের মূল্য সংশোধনের পরও শেয়ারটির মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই রেশিও বেশ বিপজ্জক অবস্থানে। বৃহস্পতিবার দিন শেষে এর পিই রেশিও দাঁড়ায় ৩৭ দশমিক ২২। বিশ্লেষকদের মতে, উচ্চ প্রবৃদ্ধিশীল কোনো কোম্পানির শেয়ার ছাড়া ২০ পিই রেশিও’র বেশি যে কোনো শেয়ারই বিনিয়োগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এমারেল্ড অয়েল মোটেও সে ধরণের প্রবৃদ্ধিশীল কোম্পানি নয়। এ কোম্পানি তার উৎপাদন ক্ষমতার পুরোটা নিজে ব্যবহার করতে পারে না। নিজস্ব ব্র্যান্ডের (স্পন্দন) তেলের বিক্রি অনেক কম বলে ঠিকা চুক্তিতে অন্য কোম্পানির (এসিআই) জন্য তেল উৎপাদন করে। এ কারণে এর মুনাফায় প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাও বেশ কম। তাইএমন উচ্চ পিই থাকা অবস্থায় বিনিয়োগে পা পিছলাতেই পারে। তাছাড়া গত এক বছরে যেসব কোম্পানি আইপিওতে এসেছে, তার বেশির ভাগের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ ধারা দেখা গেছে। প্রথম ২/৩ সপ্তাহে শেয়ারের দর যে পর্যায়ে উঠেছে, পরবর্তীতে সেখান থেকে ৩০/৪০ পর্যন্ত কমে গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, শেয়ারটি নতুন বাজারে আসায় ক্রেতার চাপে প্রথমদিকে এই শেয়ারের দর বেড়ে যায়। তবে এখন এই শেয়ারের বিক্রির চাপ বাড়ায় দরপতন হয়েছে।

এসএ/