শীতে কাঁপছে দেশ, থাকবে চলতি সপ্তাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
181

সারাদেশ কাঁপছে শীতের কাঁপুনিতে! গত কয়েকদিনের অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহ ও হিমেল হাওয়ায় ইতোমধ্যে সারাদেশে ৩০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। টানা শৈত্যপ্রবাহে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন ছিন্নমূল ও কর্মজীবী মানুষেরা।

আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১৭ জানুয়ারি বুধবারের পর থেকে স্বাভাবিক হতে পারে দেশের তাপমাত্রা। বিক্ষিপ্তভাবে দেশের কয়েকটি স্থান ব্যতীত আর কোথাও শৈত্য প্রবাহ থাকবে না। সে হিসেবে আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শীতের প্রকোপ থেকে মুক্তি পেতে পারে দেশবাসী।কুয়াশার সঙ্গে উত্তরীয় ঠান্ডা বাতাসই গত দুই সপ্তাহ যাবত প্রবল শীতের কারণ বলে জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রবিবার রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সিলেটে ২৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহওয়া অধিদপ্তরের কর্তব্যরত পূর্বাভাস কর্মকর্তা জানান, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে; কিন্তু ঘন কুয়াশায় সূর্যের তাপ ভূ-ভাগে পৌঁছতে না পারায় দিনের তাপমাত্রা (সর্বোচ্চ তাপমাত্রা) বাড়ছে না। দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান কমে যাচ্ছে। সে জন্যই মানুষ বেশি শীত অনুভব করছে। বাতাস পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটাচ্ছে।

আবহাওয়া বিভাগের দাপ্তরিক পূর্বভাসে বলা হয়েছে, টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলসহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বিরাজমান শৈত্যপ্রবাহ পরিস্থিতি দেশের আরো কিছু এলাকা থেকে প্রশমিত হতে পারে।

এছাড়া মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দিনের বেলা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অর্থসূচক/এইচজে