নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী

অর্থসূচক ডেস্ক

0
138

নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। প্রচলিত ধারা থেকে বের করে এনে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সমন্বয়ে নতুন রূপদান করেছেন বাংলা নাটককে।

সেলিম আল দীন ঢাকা থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।

রোববার সেলিম আল দীনের ১০ম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে সকালে  নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ থেকে একটি স্মরণযাত্রা সেলিম আল দীনের সমাধিস্থলে গিয়ে শেষ হয়। এরপর তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। স্মরণযাত্রায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ, সেলিম আল দীনের স্বজনেরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের আয়োজনে সেলিম আল দীন স্মরণে আলোচনা সভা ও নাটক মঞ্চায়ন।

১৯৪৯ সালে ১৮ আগস্ট ফেনীর সোনাগাজিতে জন্মগ্রহণ করেন সেলিম আল দীন। ১৯৭৪ সালে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। তার হাত ধরেই ১৯৮৬ সালে যাত্রা শুরু করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ। ২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন রবীন্দ্রত্তোর শ্রেষ্ঠ এই নাট্যকার। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।

গুনী এ নাট্যজনের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গত ১২ জানুয়ারি থেকে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হয়েছে ‘সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব। ঢাকা থিয়েটার ও গ্রাম থিয়েটার যৌথভাবে এই উৎসব আয়োজন করেছে। তিন দিনব্যাপী উৎসব শেষ হবে আজ।

সন্ধ্যা ৭টায় বাংলা একাডেমিতে সেলিম আল দীন রচিত নাটক ‘ধাবমান’ মঞ্চস্থ হবে। ঢাকা থিয়েটার প্রযোজিত এই নাটকের নির্দেশনায় রয়েছেন শিমুল ইউসুফ। সেমিনার সবার জন্যে উন্মুক্ত এবং নাটক দর্শনীর বিনিময়ে উপভোগ করা যাবে।

১৯৪৯ সালে ১৮ আগস্ট ফেনীর সোনাগাজিতে জন্মগ্রহণ করেন সেলিম আল দীন। তিনি ছিলেন বাবা-মায়ের তৃতীয় সন্তান। বাবা ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা। সেই সূত্রে ঘুরেছেন বহু জায়গায়। ছেলেবেলা থেকে স্বপ্ন দেখেছেন লেখক হওয়ার। লেখক হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৬৮ সালে। সে বছর কৃষ্ণাঙ্গদের নিয়ে তার একটি প্রবন্ধ দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই তিনি নাটকে জড়িয়ে পড়েন। যুক্ত হন ঢাকা থিয়েটারে।

১৯৭৪ সালে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। তার হাত ধরেই ১৯৮৬ সালে যাত্রা শুরু করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ।

২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন রবীন্দ্রত্তোর শ্রেষ্ঠ এই নাট্যকার। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।

অর্থসূচক/এসবিটি