তোমার চেরি ফল দাও…

0
183

cherryটুকটুকে লাল কিংবা মিচমিচে কালো। ছোট্ট আপেলের মতো দেখতে। সবুজ পাতার ফাঁকে থোকায় থোকায় ঝুলে আছে। দেখে জিভের জল আটকে রাখাটা আসলেই দায় হয়ে দাঁড়ায়। ফলটির আকার আর গঠন বড় সাইজের বইচির মতো হলেও ছোট আপেলের সাথেই এর সাদৃশ্যটা বেশি।

মূলত জাপান দেশের ফল হলেও এটি এখন পাওয়া যায় আমাদের দেশেও। দেখতে লোভনীয় আর স্বাদে অতুলনীয় হওয়ায় এর জনপ্রিয়তাও বাড়ছে। তবে কেবল স্বাদ আর সৌন্দর্যের কারণেই নয় পুষ্টিগুণেও নাকি এর জুড়িমেলা ভার। আর কিছু দিন বাদে হয়তো গান লেখা হবে, ‘তোমার চেরি ফল দাও…’।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ইস্ট ল্যান্সিন মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা ফলটির বেশ কিছু পুষ্টিগুণ খুঁজে পেয়েছেন। আর বিশেষ গুণগুলোর কারণে তারা ফলটির নামই দিয়েছেন নিরাময়কারী ফল।

তারা বলেছেন, এ ধরনের ফল অনিদ্রাজনিত সমস্যাগুলো দূর করার পাশাপাশি বাতের ব্যথা নিরাময়সহ পেশী শক্তিশালী করতে কাজ করে। তাই সবসময় এ ধরনের ফল খাওয়ার চেষ্টা করা উচিত বলেও তারা মনে করেন।

গবেষকরা চেরির ৩ ধরনের পুষ্টিগুণের কথা বলেছেন।

এক, চেরি অতিরিক্ত রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ফলটিতে থাকা পটাশিয়াম শরীরের সোডিয়ামের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

দুই, ফলটিতে অনেক বেশি শালজাতীয় পদার্থ থাকে যেটি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমিয়ে হৃদরোগ কমাতেও সাহায্য করে। এছাড়াও এটার মধ্যে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যেটি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

তিন, চেরি বাতের ব্যথা, মাথা ব্যথা ও মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, এটি রক্তের ইউরিক অ্যাসিডও কমাতে সাহায্য করে।

তাই, সুস্থ থাকতে গবেষকরা দিনে এক বাটি চেরি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।