বিএনপি ইডিয়ট পার্টি: মুহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
66

২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় বিএনপিকে ‘ইডিয়ট পার্টি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। একই সঙ্গে নাম উল্লেখ না করে দলটির নেতাদেরও ‘স্টুপিড’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

আজ রোববার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে বিদায়ী বছর ২০১৭ এবং নতুন বছর ২০১৮ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় রোহিঙ্গা, ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা ইস্যুতেও কথা বলার এক পর্যায়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, বিএনপি কি নির্বাচনে আসবে? দলটি ২০১৪ সালের অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেনি। যার ফলে ১৫৪ টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বী এক তরফা জয় পায় আওয়ামী লীগ। আগামী জাতীয় নির্বাচনে এ ধরণের ঘটনার পুনারাবৃত্তি হতে পারে কিনা?

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, এক তরফা তো আমরা  করিনি। একটা ইডিয়ট পার্টি (বিএনপি) করেছে, টোটালি ইডিয়ট পার্টি। আমরা তো তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছি, তোমারা অন্তবর্তী সরকারের আসো। তাদের ষ্টুপিড লিডারাই তো এটা করেছে।

তবে এবার আর বিএনপি সেটা করবে না বলে মনে করেন মুহিত।

অর্থমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার সব সরকারই অংশগ্রহণমূলক সরকার। আগামীতেই তাই হবে। আশা করি ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচনে সবাই অংশ নেবে এবং উন্নয়নের সরকারের জন্য আওয়ামী লীগ জিতবে।

এসময় নতুন বছরে ব্যাংকিং খাতে আস্থার সংকট হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ব্যাংকের খাতে কোনো ঝুঁকি নেই। ব্যাংক ফেল করার কোনো চান্স নেই। সুতারাং আস্থার সংকট হবে না।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য একটি পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সেখানে বিদেশি, সরকার-বেসরকারি ভাবে সাহায্য করা হচ্ছে। তাদের (রোহিঙ্গা) টাকা দিতে হবে। দাতাদের কাছে সাহায্য চাচ্ছি, দেখি কী আসে।

তিনি বলেন, মিয়ানমার বলেছে-তারা কিছু লোক নেবে। নেওয়ার মধ্যে নানা কথা-বার্তা আছে, কিছু হিন্দু নেবে। এসময় রোহিঙ্গা ইস্যুর সমাধানে রাখাইনে স্বতন্ত্র রোহিঙ্গা জোন করা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

অর্থ মন্ত্রী বলেন, ২০১৭ সালে কোনো সহিংস হরতাল হয়নি। কোনো মারাত্মক কিছু ঘটেনি। মানুষের স্বস্তি অনেক উচ্চ মাত্রায় উঠে এসেছে। সোস্যাল সিকিউরিটি খুবই ভালো।

চালের দাম নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মুহিত বলেন, এটা ব্যবসায়ীদের কারণে হয়েছে, এটা হওয়া উচিত না। আমরা চেয়েছিলাম চালের দাম একটু বাড়ুক। যেনো কৃষক দাম কিছুটা বেশি পায়। ৩৮ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে থাকা উচিত ছিলো। ব্যবসায়ীরা সেটা ৬০ পর্যন্ত নিয়ে গেছে। তবে এক্ষেত্রে সরকারের কোনো গাফিলতি নেই বলে মনে করেন তিনি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন ২০১৮ সাল সব মিলিয়ে ভালোই কাটবে আমাদের জন্য।

আজম/টি