‘থার্টি ফাস্টে ঘরোয়া অনুষ্ঠানেও লাগবে অনুমতি’

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
55

চার দেয়ালের ভেতরে থার্টি ফাস্টের অনুষ্ঠান উদযাপন করতে হলেও পুলিশকে অবগত করতে হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। আজ শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

পুলিশ কমিশনার বলেন, ইংরেজি নববর্ষ থার্টি ফাস্ট নাইটকে ঘিরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সার্বিক নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠান করা যাবে না। সেই সঙ্গে যদি কেউ ইনডোরে বা চার দেয়ালের মাঝে থার্টি ফাস্ট নাইটের অনুষ্ঠান করতে চান তাহলে অবশ্যই পুলিশের নিকট হতে পূর্বেই অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি নিলে আপনার অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে থার্টি ফাস্ট নাইটের গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কমিশনার বলেন, থার্টি ফাস্ট নাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত সংখ্যক ইউনিফর্মধারী ও সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সদস্য শহরের বিভিন্ন স্থানে দায়িত্ব পালন করবে। সেইসঙ্গে সোয়াট ও বোম্ব ডিসপোজাল টিমের সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোতায়েনসহ ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে স্ট্যান্ডবাই থাকবে।

এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানস্থলে ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, গুলশান ও বনানী এলাকায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক ফায়ার টেন্ডার ও এ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন রাখা হবে বলেও জানান আছাদুজ্জামান মিয়া।

পুলিশ কমিশনার আরো বলেন, ইংরেজি নববর্ষকে স্বাগত জানাতে বিশ্বের সঙ্গে তালমিলিয়ে আমাদের দেশের নগরবাসী স্বতঃস্ফুর্তভাবে থার্টি ফাস্ট নাইট উদযাপন করেন। পূর্ববর্তী বৎসরগুলোর অভিজ্ঞতার আলোকে দেখা যায়, এ আনন্দ উৎসব উদ্যাপনের নামে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি নিজস্ব সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে থাকে। কতিপয় ব্যক্তি আনন্দের আতিশয্যে পট্কাবাজি, আতশবাজি, অশোভন আচরণ, বেপরোয়া গাড়ি ও মোটর সাইকেল চালানোর মাধ্যমে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা/দূর্ঘটনা ঘটিয়ে অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটায়।

ক্ষেত্র বিশেষে প্রকাশ্যে অভদ্রজনোচিত আপত্তিকর আচরণ করে থাকে। এ সকল নৈতিক মূল্যবোধ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে, অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা সৃষ্টি করে বলেন কমিশনার।

অর্থসূচক/এইচজে