পদ্মভূষণ পুরস্কার আমার জন্য অপ্রত্যাশিত: ড. আনিসুজ্জামান

0
136
anisuzzaman

anisuzzamanঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান বলেছেন, পদ্মভূষণ পুরস্কার আমার জন্য অপ্রত্যাশিত। কেননা এ সম্পর্কে আমাকে জানানো হয়নি। এক সাংবাদিকের মাধ্যমে আমি বিষয়টি জানতে পারি। তবে আমি এই পুরস্কারে ভূষিত হওয়ায় নিজেকে সম্মানিত বোধ করছি।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরসি মজুমদার অডিটোরিয়াম মিলনায়তনে ভারতের সর্ব্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মভূষণ পদে তাকে ভূষিত করায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অনুভুতি প্রকাশকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চতর মানববিদ্যা গবেষণা কেন্দ্র এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আনিসুজ্জামান বলেন, তখনই আমি সবচেয়ে বড় সম্মান পেয়েছি যখন এই বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে এমিরিটাস অধ্যাপক পদে মর্যাদা দান করেছিল। আমি এই জীবনে যা কিছু অর্জন করেছি তার সবকিছুই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান। কেননা আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পরে শিক্ষক হয়েছিলাম।

উচ্চতর মানবদ্যিা গবেষণা কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও পরিচালক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাবি ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিসি বলেন, আনিসুজ্জামান বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তিনি জ্ঞানের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখায় বিচরণ করেছেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। সব জায়গায় বিচরণ করার কারণে তিনি দেশ ও দেশের বাইরে সম্মানিত হয়েছেন।

তিনি বলেন, গুনী মানুষ যখন পুরস্কার পায় তখন তাদের থেকে আমরাই বেশি পুরস্কৃত হই। আনিসুজ্জামান আজীবন আমাদের ছাঁয়া হয়ে থাকবেন। আমাদের মধ্যে বাঙ্গালী সত্ত্বা জাগ্রত করতে পারলেই বিশ্ব আমাদেরকে সম্মানিত করবে। কিন্তু আমারা বেশির ভাগই জ্ঞানী মানুষকে কদর করিনা। তাই আমরা সম্মানিত হতে পারিনা। তবে আনিসুজ্জামান গুনী মানুষকে কদর করতেন।

উল্লেখ্য, আগামি ৩১শে মার্চ অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদ্মভূষন পুরস্কার প্রদান করবে ভারত সরকার।

এএইচ/সাকি