পোশাক শিল্পে শ্রমিক হয়রানি বন্ধে মার্কিন সিনেট কমিটির চিঠি

0
60
garments

garmentsপোশাক শিল্পে শ্রমিকদের ওপর ট্রেড ইউনিয়নের নেতাদের ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানি বন্ধ না হলে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্যক সুবিধা (জিএসপি) ফিরে পেতে সহায়তা করা হবে না বলে জানিয়েছেন বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক মার্কিন সিনেট কমিটি।

তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি আতিকুল ইসলামকে দেওয়া এক চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার দেওয়া ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিজিএমইএ ভুক্ত বহু কারখানায় এখনও শ্রমিক নেতাদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। সেই সাথে কোথাও কোথাও চাকরিচ্যুতও করা হচ্ছে।

এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা নবায়ন কিংবা ফিরে পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার সহযোগিতা করা হবে না বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তিনি।

এছাড়া, চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গত মাসে দুই নারী শ্রমিককে মারধর করা হয়েছে। আর জিএসপি সুবিধা পেতে এগুলো বন্ধ করতে হবে।

এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর রূপসী বাংলা হোটেলে পোশাক কারখানার মান পরিবর্তনে মালিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিজিএমইএকে তাগিদ দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা। আন্তর্জাতিকমান ও শ্রমিক নিরাপত্তা বজায় না রাখা মালিকদের ব্যবসা ছাড়তে হবে বলেও হুঁশিয়ার করেছিলেন তিনি।

ড্যান মজিনা বলেন, কিছু কারখানার মালিকরা এই খাতের মান পরিবর্তনে এগিয়ে এসেছে। যারা মান পরিবর্তন না করে অধিক মুনাফা অর্জনের পথে হাটছে। তবে দুর্ঘটনা ঘটলে মুনাফা নিয়ে তারা আবার অন্যত্রে চলে যাবে। তাতে বাংলাদেশ আবারও বিশ্ববাজারে হুমকির মুখে পড়বে।

তাজরীন ও রানা প্লাজার শ্রমিকদের মত প্রকাশের সংগঠিত পন্থা থাকলে কারখানার মালিক ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতো তারা। মালিকদের নির্মম লোভ শ্রমিকদের নিরাপত্তার প্রতি দুর্যোগ হয়ে এসেছে। তা না হলে আগুন থেকে বাঁচার জন্য তাদের ধাক্কা দিয়ে ভবন থেকে বের হয়ে আসতো তারা।

সত্যিকারের ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা করবে। তিনি বলেন, অচিরেই ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের হার আরও বাড়বে। তাতে শ্রমিকদের আরও সাংগঠনিক শক্তি যোগাবে বলে মনে করেন তিনি।

কেএফ