২ এপ্রিল পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাচ্ছে সিভিও

0
82

cvo petro chemical trial productionসিভিও পেট্রো ক্যামিকেল ২ এপ্রিল পরীক্ষামূলক উৎপাদনের যাত্রা করবে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পেট্রোক্যামিকেল ইউনিটের মাধ্যমে উৎপাদনে ফিরছে বিতর্কিত কোম্পানি সিভিও পেট্রো ক্যামিকেল। এর আগে ১৮ মার্চ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় কোম্পানির কাছে। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

পরীক্ষামূলক উৎপাদনে সাফল্য পাওয়া গেলে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেলেই কেবল বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে। মঙ্গলবার দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে এমন তথ্য জানিয়েছে সিভিও পেট্রো।

এর আগে কোম্পানিটি জানিয়েছে, তাদের প্ল্যান্টে কাঁচামাল হিসেবে কনডেনসেট সংগ্রহ করার জন্য গত ১৬ মার্চ সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেডের সাথে চুক্তি হয়েছে। পেট্রোবাংলার নির্দেশ অনুসারে এই চুক্তি হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানির দেওয়া তথ্য অনুসারে পরীক্ষামূলক উৎপাদনে প্রাপ্ত ফলাফল জমা দেবে বিপিসি এবং পেট্রোবাংলার কাছে। বিপিসি এবং পেট্রোবাংলার ইতিবাচক প্রতিবেদন পেলে জ্বালানী মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠানটিকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে।

কোম্পানি বছরে ৫০ হাজার টন কনডেনসেট পরিশোধনের জন্য যন্ত্রপাতি স্থাপন করেছে। প্রতিদিন গড়ে ১৫০ মেট্রিক টন কনডেনসেট পরিশোধন করা হবে। ২০১১ সালের ৩ অক্টোবর সরকারের পাওয়ার এনার্জি অ্যান্ড মিনারেল মন্ত্রণালয়ের এনার্জি অ্যান্ড মিনারেল বিভাগ থেকে এই কোম্পানিকে পরীক্ষামূলক উৎপাদনের অনুমোদন দেয়।

১৯৯০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া চিটাগাং ভেজিটেবল অয়েল কোম্পানি পরবর্তীতে সিভিও পেট্রোক্যামিকেল নাম ধারণ করে। শুরুতে ভোজ্য তেল উৎপাদনকারী এ কোম্পানি মাঝখানে স্বর্ণা নামের জৈব সার বাজারজাতকরণের ব্যবসা শুরু করে। তবে কোনো ব্যবসাতেই প্রতিষ্ঠানটি ভাল করতে পারেনি। টানা লোকসানের কারণে এক পর্যায়ে কারখানা ও ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। ২০১০ সালে তেজী পুঁজিবাজারে হঠাৎ মুনাফায় ‘ফেরে’ কোম্পানিটি। পেট্রোক্যামিকেল উৎপাদনের নানা গল্পে শেয়ারের দাম তুঙ্গে উঠে। এর শেয়ার নিয়ে কারসাজির অভিযোগে সম্প্রতি একটি ব্রোকারহাউজকে জরিমানা করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

 অর্থসূচক/এমআরবি/