বিরল উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীর হলফনামা অসম্পূর্ণ

0
94
চেয়ারম্যান প্রার্থী ডা. মানবেন্দ্র রায়

Manbandroসাবেক প্রতিমন্ত্রী বাবু সতীশ চন্দ্র রায়ের পুত্র কেন্দ্রীয় আ.লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক বিরল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ডা. মানবেন্দ্র রায় (মানব) হলফনামায় নিজের ও স্ত্রীর বিভিন্ন তথ্য গোপন করেছেন। ডাক্তারি চাকরি করলেও কত টাকা বাৎসরিক আয় তা হলফনামায় উল্লেখ নেই।

প্রার্থীদের সকল বিষয়ে অনুসন্ধান করে সঠিক তথ্য জনগনের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন বলে মনে করেন সচেতন নাগরিক সমাজ। ডাক্তারি পেশায় তার কোন আয় নেই! এ কেমন পেশা বলে মন্তব্য অনেকের।

হলফনামার তথ্যমতে জানা গেছে, তার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এম বি বি এস পাশ, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল- রমনা, ঢাকার আবাসিক মেডিকেল অফিসার পদে তিনি চাকরি করেন। এ খাতে বাৎসরিক তার কোন আয় দেখানো হয়নি। শুধুমাত্র কৃষিখাতে ৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা, নিজ নামে মাত্র ৫ লাখ টাকা, টয়োটা ল্যান্ড ক্লোজনার নামের একটি গাড়ি নিলামে খরিদ যার মূল্য- ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, ১০ ভরি স্বর্ণালংকার মূল্য ৫ লাখ টাকা, ১ টি ল্যাপটপ যার মূল্য ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র মাত্র ১ লাখ টাকা, স্থাবর সম্পদের হিসাবে কৃষি জমির পরিমাণ ৩ একর মূল্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

তার স্ত্রী দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টারনি ডাক্তার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। স্ত্রীর নামীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিষয়সহ হলফনামায় অন্যান্য তথ্যের ঘরে ক্রস চিহ্ন ছাড়া আর কিছুই নেই।

চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান পুরুষ ও মহিলা প্রার্থীদের দাখিলকৃত হলফনামা সরকারসহ বিভিন্ন সংগঠন গুলোর অনুসন্ধান করে প্রকৃত তথ্য জনগনের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন বলে সচেতন নাগরীক সমাজ মনে করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সচেতন নাগরিক সমাজের অনেকেই জনপ্রতিনিধিদের স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন মন্তব্য করে বলেন, একজন ডাক্তারের অনেক আয়। আয় কর-এর আওতায় যেন না আসে হয়তো এজন্যই তিনি বাৎসরিক আয় উল্লেখ করেননি। সরকারকে রাজস্ব খাতে আয় কর ফাঁকি দেওয়ার জন্য হলফনামায় তিনি তথ্য গোপন করেছেন বলে সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করেন।

টিআই/সাকি