ডিসিসিআই’র পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে তুরষ্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
74
ডিসিসিআই এর সঙ্গে তুরস্ক রাষ্ট্রদূতের স্বাক্ষাৎ

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)’র সভাপতি আবুল কাসেম খান এবং পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দের সঙ্গে বাংলাদেশস্থ তুরষ্কের রাষ্ট্রদূত দেভরিম ওজতুর্কের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২০ নভেম্বর ডিসিসিআইতে অনুষ্ঠিত ওই স্বাক্ষাৎকারে বাংলাদেশস্থ তুরষ্ক দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর মুরাদ ইয়ারাট এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এসময় ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাসেম খান বাংলাদেশের অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী, টেক্সটাইল, পর্যটন এবং স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগে তুরষ্কের ব্যবসায়ীদের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে বলে তুরষ্কের রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

তিনি জানান, বাংলাদেশের বিশেষ করে অবকাঠামো খাতে বড় আকারের বিনিয়োগের প্রয়োজন, বর্তমানে যেটির পরিমাণ জিডিপি’র প্রায় ২.৭% এবং এটাকে ৫ থেকে ৬ শতাংশে উন্নীত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি তুরষ্কে অনুষ্ঠিত ‘টারকিস এক্সপোর্ট উইক অ্যান্ড বায়ারর্স মিশন’ এ চেম্বারের পক্ষ থেকে একটি বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করে। দুদেশের মধ্যকার বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য এ ধরনের বাণিজ্য প্রতিনিধিদল প্রেরণের কার্যক্রম আরো বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

ডিসিসিআই পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে তুরস্ক রাষ্ট্রদূতের স্বাক্ষাৎ

তুরষ্কের রাষ্ট্রদূত দেভরিম ওজতুর্ক সম্প্রতি তুরষ্কে অনুষ্ঠিত ‘টারকিস এক্সপোর্ট উইক অ্যান্ড বায়ারর্স মিশন’-এ ঢাকা চেম্বারের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করায় ডিসিসিআইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, তুরষ্ক ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রচুর সম্ভাবনা থাকলেও তা এখনও কাঙ্খিত পর্যায়ে উন্নীত হয়নি। তিনি জানান, দুইদেশের মধ্যকার বাণিজ্যের পরিমান বর্তমানে ২.৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং এটাকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের উন্নীত করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

তিনি দুইদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণে তুরষ্ক ও বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যকার যোগাযোগ আরো বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রদূত জানান, তথ্য-প্রযুক্তি, মেডিক্যাল ট্যুরিজম, ভবন নির্মাণ প্রভৃতি খাতে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাবৃন্দের তুরষ্কে বিনিয়োগ সম্ভাবনা রয়েছে।

ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি কামরুল ইসলাম, এফসিএ, সহ-সভাপতি হোসেন এ সিকদার, পরিচালক ইঞ্জি. আকবর হাকিম, হুমায়ুন রশিদ, ইমরান আহমেদ, খ. আতিক-ই-রাব্বানী, এফসিএ, কে এম এন মঞ্জুরুল হক, খন্দ. রাশেদুল আহসান, মামুন আকবর, মো. আলাউদ্দিন মালিক, ওসমান গনি, রিয়াদ হোসেন, সেলিম আকতার খান, প্রাক্তন ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি এম এস সেকিল চৌধুরী, আলহাজ্ব আব্দুস সালাম, প্রাক্তন সহ-সভাপতি আবসার করিম চৌধুরী, এম আবু হোরায়রাহ, প্রাক্তন পরিচালক এম এ বাতেন, এম বশির উল্ল্যাহ ভূঁইয়্যা, আহবায়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কামরুল ইসলাম (অব.) এবং সদস্য লায়ন মাহমুদ হাসান এবং মহাসচিব এএইচএম রেজাউল কবির এ সময় উপস্থিত ছিলেন

অর্থসূচক/রহমত/জেডআর