চট্টগ্রামে কয়েকটি উপজেলায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ

0
54

রোববার চতুর্থ দফা নির্বাচনে চট্টগ্রামের সাতটি উপজেলায় সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা আর উৎসবের আমেজে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এ ভোটগ্রহণ চলবে একটানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

সাত উপজেলাগুলো হলো- আনোয়ারা, বোয়ালখালী, সাতকানিয়া, বাঁশখালী, রাউজান, ফটিকছড়ি এবং রাঙ্গুনিয়া। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রত্যেকটি উপজেলায় সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পুলিশ ও আনসারের সমন্বয়ে ১৮ জন করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া তিন ভোটকেন্দ্র মিলিয়ে থাকছে একটি করে পেট্রল টিম রয়েছে। থানায় অবস্থান করছে প্রায় একশ রিজার্ভ ফোর্স।

চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিসার খোরশেদ আলম জানান, জেলার সাত উপজেলার ৬৬৬টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের জন্য ১৪ হাজার ২২৭ জন কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে সাতশ প্রিজাইডিং অফিসার, ৪ হাজার ৫২৯ জন সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৯ হাজার ৯৮ জন পোলিং অফিসার রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাত উপজেলায় মোট ১০২ জন চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ভোট যুদ্ধে জয়ের অপেক্ষায় আছেন। এদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩১ জন প্রার্থী। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৬ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৫ জন প্রার্থী আছেন।

বোয়ালখালীতে মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৭৭টি। এ উপজেলায় ৮১ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৪১৬ জন সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৮৩২ জন পোলিং অফিসার নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।

আনোয়ারা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত তৌহিদুল হক চৌধুরীর (দোয়াত কলম) সঙ্গে বিএনপি সমর্থিত জালাল উদ্দিন আহমেদের (কাপ-পিরিচ) প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে।

জামায়াত-শিবিরের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত সাতকানিয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন (আনারস), আওয়ামী লীগ সমর্থিত নুরুল আবছার চৌধুরী (কাপ-পিরিচ) এবং জামায়াত সমর্থিত মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের মধ্যে (মোটর সাইকেল) ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। নির্বাচনী ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারের সংখ্যাও চোখে পড়ার মত।

এছাড়া অন্য উপজেলাগুলোতে আজ সকাল থেকে এখনো পর্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলছে।