জেলের জালে ২০ মণের ‘খটক মাছ’

প্রতিনিধি

0
593

মুখে করাতের মতো খাঁজকাটা। করাতের মতো দেখতে। তাই নাম তার করাতি হাঙর। বাগের হাটের স্থানীয়দের ভাষায় খটক মাছ। সাধারণত উপকূলের কাছাকাছি এদের খুব একটা দেখা যায় না। তবে গত ২ নভেম্বর বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে বিশাল আকৃতির একটি করাতি হাঙর ধরা পড়েছে।

গতকাল শনিবার বাগেরহাটের শরণখোলা মাছের আড়তে হাঙরটি কেটে এক হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়। জেলেদের জালে ধরা পড়া খটক মাছটির ওজন প্রায় ২০ মণ। লম্বায় প্রায় ২০ ফুট।

মাছটি বিক্রি করেন ব্যবসায়ী কবির হোসেন আড়তদার। তিনি জানান, খুলনার জেলেদের জালে বিশাল আকারের ওই মাছটি ধরা পড়ে। এরপর ওই মাছটি তিনি দেড় লাখ টাকায় কিনে নেন।

ছবিটি প্রথম আলো থেকে সংগৃহীত

পরে তিনি মাছটি শরণখোলায় নিয়ে গেলে স্থানীয় লোকজন তা দেখতে ছুটে আসেন। মাছ আনার খবর স্থানীয় লোকজনকে মাইকিং করেও জানিয়ে দেওয়া হয়।

কবির হোসেন জানান, মাছটি কেটে বর্জ্য ফেলে দেওয়ার পর প্রায় ১৪ মণ মাছ পাওয়া গেছে। গতকাল বিকেল পর্যন্ত প্রায় ২২৫ কেজির মতো বিক্রি হয়েছে। বাকি মাছ বিক্রির জন্য ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

আজ রোববারের মধ্যে সব মাছ বিক্রি হয়ে যাবে বলে ধারণা করছেন তিনি।

স্থানীয়দের বিশ্বাস খটক মাছ খেলে দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যানসার, হৃদ্‌রোগ ও যক্ষ্মা ভালো হয়। এ বিশ্বাস থেকে বাগেরহাটের বিভিন্ন স্থান থেকে মাছ কিনতে শরণখোলা মাছের আড়তে আসে স্থানীয়রা।

তবে এ মাছ খেলে দুরারোগ্য ব্যাধি নিরাময় হওয়ার বিষয়টিতে বৈজ্ঞানিক কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছেন গবেষক ও স্থানীয় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

জানা যায়, এই সামুদ্রিক মাছে প্রচুর মিনারেল ও খনিজ লবণ রয়েছে। যা মানবদেহের জন্য খুবই উপকারী।

অর্থসূচক/এসবিটি