পানি-শক্তির ভারসাম্য তৈরির আহ্বান বিশেষজ্ঞদের

0
73
Water-energy

Water-energyটেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে পানি ও শক্তির ব্যবহার ও সংরক্ষণে ভারসাম্য তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের বিশ্ব পানি দিবস উপলক্ষে এনজিও ফোরাম আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এ দাবি জানান।

স্বাগত বক্তব্যে ফোরামের গণস্বাস্থ্য বিষয়ক নির্বাহী পরিচালক এস এম এ রশিদ বিশ্ব পানি দিবস ২০১৪ এর জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত মূল বার্তা সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, “সকল ধরনের শক্তি উৎপাদনে যেমন পানির প্রয়োজন তেমনি পানি উত্তোলন ও বণ্টনের সকল ধাপে শক্তির প্রয়োজন। তাই পানি ও পানিকেন্দ্রিক শক্তির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের লক্ষ্যে এই দু’টি সেক্টরের মধ্যকার যোগাযোগ এবং পারস্পরিক প্রভাব শনাক্তকরণের ওপর পানি-শক্তির কার্যকর পরিকল্পনা নির্ভরশীল”।

সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০১৫ ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পানি ও পানিকেন্দ্রিক শক্তির মধ্যকার সম্পর্ক সংক্রান্ত বিষয়াদি তুলে ধরে আলোচনা করেন বক্তারা।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক মুজিবুর রহমান পানি ও শক্তির সরবরাহ, সীমাবদ্ধতা ও চাহিদার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, “দেশের উল্লেখযোগ্য জনগোষ্ঠী এখনো পানি, স্যানিটেশন ও বিদ্যুতের সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাই বিশুদ্ধ ও নিরাপদ পানি সংগ্রহ ও সরবরাহ এবং শক্তি উৎপাদনে সরকারের সহযোগিতা ও সমন্বয় সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ”।

তিনি বলেন, “শক্তি সংরক্ষণের মাধ্যমে পানি এবং পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে শক্তির নিরাপদ প্রবাহ নিশ্চিত করা যায়”।

পেট্রোলিয়াম, গ্যাস, কয়লা ও জীবাশ্ম জ্বালানির তৈরি ও প্রক্রিয়াজাত করতে পানি ব্যবহারের গুরুত্ব ও মাত্রা তুলে ধরেন তিনি।

শক্তি উৎপাদনে পানি ও পানির উৎস দূষিতকরণ বন্ধ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা। শীতলক্ষ্যা, তুরাগ, ধলেশ্বরী ও বংশী নদীকে সর্বাধিক দূষিত পানির উৎস হিসেবে উল্লেখ করেন তারা।

পানি দূষণ বন্ধ করা, ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার, পানি বিশুদ্ধকরণ, শিল্প এলাকায় পানি দূষণ রোধ ও পানি বাহিত রোগ সংক্রমণ থেকে মানুষকে বাঁচাতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করতে আহ্বান জানান বিশেষজ্ঞরা।

এসএসআর/এআর