বাজেটে খুলনার উন্নয়নে অধিক অর্থ বরাদ্দের দাবি

0
81
khulna

khulnaআসন্ন ২০১৪-১৫ জাতীয় বাজেটে খুলনা জেলার উন্নয়নে অধিক অর্থ বরাদ্দের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির উদ্যোগে খুলনা প্রেসক্লাব ভিআইপি কনফারেন্স কক্ষে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উন্নয়ন কমিটির মহাসচিব শেখ মোশাররফ হোসেন লিখিত বক্তব্যে খুলনা উন্নয়নের ১৮ দফা দাবি সমূহ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করেন।
দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- খুলনায় আধুনিক রেলস্টেশন, গ্যাসলাইন, মাওয়ায় পদ্মা সেতু, মংলা বন্দর আধুনিকায়ন, বিমান বন্দর স্থাপন, জেলা স্টেডিয়াম সংস্কার নিউজপ্রিন্ট মিলসহ বন্ধ কলকারখানা চালু করা। এছাড়া,  শিল্পকলা একাডেমি, আকরাম পয়েন্টে গভীর সমুদ্রবন্দর, ভোমরাকে আন্তর্জাতিক স্থল বন্দর খুলনা টেক্সটাইল পল্লী, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত কৃষি বিশ্ব বিদ্যালয়সহ স্কুল-কলেজ সরকারিকরণ করা।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জুনে অর্থমন্ত্রী সংসদে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করবেন। বাজেটে আগামি ১ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণীত হবে। আমরা দক্ষিণাঞ্চলের ৩ কোটি মানুষ এবং বিশেষ করে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের ৭০ লাখ মানুষের পক্ষে এ অঞ্চলের উন্নয়ন নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি। দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত হলেই জাতীয় ক্ষেত্রে সমঅধিকার ও সুষম উন্নয়ন সম্ভব হবে; কেননা দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় এ অঞ্চল বরাবরই অবহেলিত ও সুবিধা-বঞ্চিত। সরকারি পরিসংখ্যান দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী বিগত দুই দশকে সারা দেশের দারিদ্র্য হ্রাস পেলেও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বেড়েছে প্রতিবছর ১.৭৮ শতাংশ হারে।

এ সময় তিনি আরও বলেন, আমাদের এ অঞ্চলে রয়েছে যথেষ্ট সম্পদ ও উন্নয়নের সুযোগ। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় একক ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের মধু এবং বঙ্গোপসাগরের মৎস্য সম্পদ, ঊর্বর জমি, বিপুল পরিমাণে উৎপাদিত পাট, বাংলাদেশের অন্যতম সমুদ্র বন্দর,  এত কিছু বিদ্যমান থাকা এ অঞ্চল আজও অনুন্নত। স্বাধীনতার পর এ অঞ্চলের উন্নয়নে পরিকল্পিত উদ্যোগ না নেওয়ায় এ সুযোগগুলোর একটিও কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। শুধু তাই নয় প্রতিটি পরিকল্পনা আমলাতান্তিক জটিলতায় অনেক প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সেদিক বিবেচনা করে আগামি বাজেটে খুলনা উন্নয়নে অধিক অর্থ বরাদ্দের দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন খুলনা উন্নয়ন কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামান, উন্নয়ন কমিটির নেতা অধ্যক্ষ রেহানা ইসা, শাহিন জামাল পন, প্রকৌশলী আজাদুল হক, মো. নিজামউর রহমান লালু, অ্যাডভোকেট শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, মিজানুর রহমান বাবু প্রমুখ।