অক্টোবরের মধ্যে ডিএসইতে নতুন সফটওয়্যার

0
75
dse new software

dse new software চলতি বছরের অক্টোবরের মধ্যে ব্যবসায়ের নতুন প্লাটফর্মের সফটওয়্যার চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বপন কুমার বালা। এ লক্ষ্যে শুক্রবার নাসডাকওমেক্স ও ফ্লেক্সট্রেড-এর সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে ডিএসই। রাজধানীর প্যানপ্যাসিক সোনারগাঁও হোটেলে এ চুক্তি সই হয়। চুক্তির কার্যকারিতা আগামি ১০ বছর বহাল থাকবে।

ডিএসই’র পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বপন কুমার বালা ও চিফ টেকনোলজি অফিসার খায়রুজ্জামান, নাসডাকওমেক্সের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক রবার্ট ফজর্ড এবং ফ্লেক্সট্রেডের পক্ষে বাটার্ন্ট রাচ্চাত।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ডিএসই’র চেয়ারম্যান বিচারপতি সিদ্দিকুর রহমান, পরিচাক বৃন্দ ও ডিএসই’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

নাসডাকওমেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রবার্ট ফজর্ড বলেন, বিশ্বের বিখ্যাত ও ব্যয়বহুল এ সফটওয়ার চালু করতে যচ্ছে। এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে ডেরিভেটিব প্রোডাক্ট, কমোডিটি পণ্যও চালু করা যাবে। এতে করে দেশের পুঁজিবাজারের গভীরতা আরও বাড়বে বলেন তিনি।

এদিকে, গত ১০ মার্চ ডিএসইর পর্ষদ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ম্যাচিং ইঞ্জিন হিসেবে পাঁচ বছরের জন্য নাসডাক ওএমএক্সের জন্য খরচ হবে ৭৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। আর অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে বা ফ্রন্ট অ্যান্ড হিসেবে পাঁচ বছরের জন্য ফ্লেক্সট্রেড বাবদ খরচ হবে ১৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আর মোট খরচ হবে ৯৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় এ দুটি কোম্পানিকে দিতে হবে ৩৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা। আর ১০ বছরের জন্য একই ইঞ্জিন ব্যবহৃত হলে খরচ হবে ১৭৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা। তবে বুধবারের বৈঠকে এ টাকা কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এ সফটওয়্যারটি পোলারিস নামক কোম্পানির তৈরি। এটি ট্রেডিং প্লাটফর্ম নামে পরিচিত এবং এ সফটওয়্যার স্টক এক্সচেঞ্জে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আর স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যভুক্ত স্টক ব্রোকাররা ফ্রন্টএন্ডে অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।

জিইউ