বিনিয়োগ কমিয়ে আনার পরিকল্পনা চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

0
56
বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন (ফাইল ছবি)

বাংলাদেশ ব্যাংক পুঁজিবাজারে সীমার অতিরিক্ত বিনিয়োগ কমিয়ে আনতে ব্যাংকগুলোর কাছে পরিকল্পনা চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অতিরিক্ত বিনিয়োগ আছে-এমন ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে সম্প্রতি এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। কতটি ধাপে, কিভাবে ওই বিনিয়োগ কমানো হবে তা বিস্তারিত জানাতে বলা হয়েছে। আগামি ২০১৬ সালের মধ্যে এদের বিনিয়োগ নির্ধারিত সীমার নিচে নামিয়ে আনতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তবে এক সঙ্গে সব ব্যাংকের সীমার অতিরিক্ত বিনিয়োগ যাতে সমন্বয় করা না হয় সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কারণ সবাই একসাথে শেয়ার বিক্রি বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে নিলে  হঠাৎ বড় শূন্যতা তৈরি হবে। এতে বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক চায় পর্যায়ক্রমে এ বিনিয়োগ প্রত্যাহার হোক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা এ কথা বলেছেন।

উল্লেখ, ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনের আগ পর্যন্ত ব্যাংকগুলো তাদের আমানত ও দায়ের ১০ শতাংশ পর্যন্ত পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারতো। আইন সংশোধনের মাধ্যমে বিনিয়োগের সুযোগ কমিয়ে আনা হয়। আইনটির আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের নতুন সীমা বেঁধে দেয়। এ নির্দশনা অনুসারে, ব্যাংকগুলো তাদের রেগুলেটরি মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে। রেগুলেটরি মূলধনের মধ্যে থাকবে পরিশোধিত মূলধন, প্রিমিয়াম আয়, বিধিবদ্ধ সঞ্চিতি ও অবন্টিত মুনাফা। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন এক নির্দেশনায় সহযোগী প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগসহ সমন্বিত বিনিয়োগ ব্যাংকের মোট বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য হবে বলে উল্লেখ করা হয়। সব মিলিয়ে বেশ কয়েকটি ব্যাংকের  বিনিয়োগ এখন নির্ধারিত সীমার বেশি।