জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট: চার সাক্ষীকে জেরার অনুমতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
51

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় চার সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি চেয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার আবেদন মঞ্জুর করেছে হাইকোর্ট।

আজ রোববার বিচারপতি মো. শওকত হোসেন ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ  এ আদেশ দেয়।

যে চার সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি দিয়েছেন তারা হলেন- জনতা ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মুকবুল আহমেদ, স্টান্ডার্ড চ্যাটার্ড ব্যাংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম, স্টান্ডার্ড চ্যাটার্ড ব্যাংকের কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজার অমলকান্তি চক্রবর্তী ও দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক চৌধুরী এমএন আলম।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জেষ্ঠ অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

গত ২১ জুন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচজন সাক্ষীর জেরার করার অনুমতি দিতে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া।

তার আইনজীবী জাকির হোসেন ভূঁইয়া জানান, এ মামলায় প্রসিকিউশনের ৩৬ জনের মধ্যে ৩২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। এ ৩২ সাক্ষীর মধ্যে পাঁচজনকে খালেদা জিয়ার পক্ষে জেরা করা হয়নি। পাঁচজনকে জেরা করা অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হলে গত ৮ জুন তা নামঞ্জুর করেন বিচারিক আদালত। এ আদেশের বিরুদ্ধে গত ২১ জুন হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করা হয়। পাঁচজনের মধ্যে চারজনকে জেরা করার অনুমতি দিয়েছে আজ হাইকোর্ট।

ঢাকায় আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে মামলাটির বিচারকাজ চলছে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশিদ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (পলাতক), হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

অর্থসূচক/এসএম