সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি কাপ্তাই হ্রদ

0
72

কাপ্তাইচন্দ্রঘোনা, রাইখালী, চিৎমরম, কাপ্তাই ও ওয়াগ্গা ইউনিয়ন নিয়ে কাপ্তাই উপজেলা। আর এখানে অসংখ্য পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা আঁকাবাঁকা বিশাল কাপ্তাই হ্রদ পরিণত এক অপরুপ সৌন্দর্য্যের লীলাভূমিতে। কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ নির্মাণের ফলে সৃষ্টি হয়েছে সুবিশাল এই কাপ্তাই হ্রদ। মূলত পানি বিদ্যুত উৎপাদনের জন্য কর্ণফুলীতে এই বাঁধ নির্মিত হয়েছে।

কাপ্তাই হ্রদে যা যা আছে:

১। কাপ্তাই লেক
২। বাংলাদেশ এন্ড সুইডিশ পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট
৩। কর্ণফুলি চা বাগান
৪। ঝুম রেস্টুরেন্ট
৫। কর্ণফুলি পেপার মিল
৬। চিৎ মরম বৌদ্ধ মন্দির ইত্যাদি।

বর্ষাকালে মেঘ-পাহাড়ের মিতালি আর শীতে কুয়াশার লুকোচুরি প্রকৃতির এমন কারুকাজ বেশ রোমঞ্চকর। বনের ভেতর সারি সারি সেগুন, জারুল, গামার আর কড়ই গাছের মাঝ বরাবর পায়ে হেঁটে চলা পর্যটকদের অফুরন্ত আনন্দের খোরাক জোগাবে।

এছাড়াও তের হাজার একর এলাকা নিয়ে কর্ণফুলী নদীর কোল ঘেঁষে কাপ্তাই উপজেলায় গড়ে উঠেছে ‘কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান’। এখানে  সারি সারি পাহাড় আর প্রকৃতির অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে। এ বনভূমি বিচিত্র ধরনের বন্যপ্রাণী ও নানা পাখির অবাধ বিচরণ ক্ষেত্র।

কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে রয়েছে বন বিভাগের দু’টি বিশ্রামাগার। বিশ্রামাগারের চারপাশে নদী, পাহাড় আর সবুজের সহাবস্থান অপূর্ব সৌন্দর্যের আবহ তৈরি করেছে। মূলত জীববৈচিত্র ও প্রাকৃতিক পরিবেশের সংরক্ষণ ও উন্নয়ন, শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং ইকো-ট্যুরিজমের জন্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। রাঙামাটি জেলা সদর হতে এর দূরত্ব আনুমানিক ৩৫ কিলোমিটার। উদ্যানে যেতে হলে চট্টগ্রাম হতে সরাসরি কাপ্তাই যেতে হবে।

কাপ্তাই উপজেলা ভ্রমণ করতে চাইলে যে কেউ ঢাকা থেকে সরাসরি এস.আলম পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন, সৌদিয়া পরিবহনযোগে সরাসরি কাপ্তাই এসে নামতে পারবেন। তাছাড়া ঢাকা হতে যেকোনো সার্ভিসে করে চট্টগ্রাম এসে বদ্দারহাট টার্মিনাল নেমে বাস/সিএনজি যোগে কাপ্তাই আসতে পারবেন। বদ্দারহাট লোকাল বাস অথবা সিএনজিতে ভাড়া নিবে ৪০-৫০ টাকা মাত্র।