‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি স্থাপনা উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায়’

অর্থসূচক ডেস্ক

0
56

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি স্থাপনা উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যবস্তুর আওতায় রয়েছে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং-উন।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, আজ আরেকটি আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) সফল পরীক্ষা চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে দিল উত্তর কোরিয়া। সপ্তাহ দুই আগে প্রথম আইসিবিএম পরীক্ষা চালায় দেশটি।

উত্তর কোরিয়া বলছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র মাত্র ৪৭ মিনিটের মধ্যেই ৩ হাজার ৭২৪ কিলোমিটার পেরিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

ক্ষেপণাস্ত্রটির বায়ুমণ্ডলে ‘পুনঃপ্রবেশের সামর্থ্যগুলো সাফল্যজনকভাবে পরীক্ষা’ করা হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটি।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির (কেসিএনএ) খবরে বলা হয়, “নেতা গর্বিতভাবে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পুরো মূলভূখন্ড আমাদের আঘাত হানার আওতার মধ্যে আছে এ পরীক্ষায় তাও নিশ্চিত হয়েছে।”

আইসিবিএমটি হওয়াসং-১৪ ছিল বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে। ৩ জুলাই একই মডেলের প্রথম আইসিবিএমটির পরীক্ষা চালিয়েছিল উত্তর কোরিয়া।

তবে এবারেরটি আরো বেশি উচ্চতায় ও বেশি সময় ধরে উড়ে বেশি দূরে গিয়ে পড়েছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, প্রাথমিকভাবে যা ভাবা হয়েছিল সম্ভবত তারচেয়ে আরো অনেক ভিতরে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হানতে পারবে ক্ষেপণাস্ত্রটি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র, চিন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া নতুন করে এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার নিন্দা জানিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার সর্বশেষ এই পরীক্ষাকে নিরর্থক ও বিপজ্জনক পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন।

চলতি মাসের শুরুর দিকে আইসিবিএম পরীক্ষার পরে  উত্তর কোরিয়ায় সামরিক শক্তি প্রয়োগের হুমকিদেয় যুক্তরাষ্ট্র। জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি বলেন প্রয়োজন পড়লে উত্তর কোরিয়ায় সামরিক শক্তি ব্যবহার করা হবে।

এবিষয়ে বিবিসির খবরে বলা হয়, সম্প্রতি নিজেদের দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে পারে এমন একটি ক্ষেপনাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। তার প্রেক্ষিতেই যুক্তরাষ্ট্র এমন হুশিয়ারি উচ্চারণ করলো।

খবরে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ায় সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকে মারাত্মক সামরিক স্খলন হিসেবে চিহ্নিত করেন নিকি হ্যালি।

নিকি হ্যালি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরোধ ব্যবস্থার অন্যতম হলো প্রয়োজনমতো সেনাবাহিনী ব্যবহার। যদি আর কোনো উপায় না থাকে, তাহলে আমরা সেনাবাহিনী ব্যবহার করব।

টি