পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় ৭ হাজার ৭৪১ কোটি টাকা

অর্থসূচক ডেস্ক

0
251
jute
পাটজাত পণ্য।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে ৯৬ কোটি ২৪ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার বা ৭ হাজার ৭৪১ কোটি টাকা। যা এ সময়ের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় শূন্য দশমিক ১৬ শতাংশ কম। তবে গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের পণ্য রপ্তানি আয় ৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেড়েছে।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) জুলাই মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। এতে আরও জানানো হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৯১ কোটি ৯৫ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৬ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার।

jute
পাটজাত পণ্য।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সমাপ্ত অর্থবছরে কাঁচা পাট রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১৬ কোটি ৭৮ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; পাটের সুতা ও কুণ্ডলী রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৬০ কোটি ৭৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১২ কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে কাঁচা পাট রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১৭ কোটি ৩১ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার; পাটের সুতা ও কুণ্ডলী রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৫ কোটি ৮৭ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১২ কোটি ২৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।

সমাপ্ত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কাঁচা পাট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার; পাটের সুতা ও কুণ্ডলী রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯ কোটি মার্কিন ডলার এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার।

আলোচ্য সময়ে কাঁচা পাট রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১৬ কোটি ৭৮ লাখ ৪০ হাজার ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ কম। একইসঙ্গে আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ৩ দশমিক ০৮ শতাংশ কমেছে। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে কাঁচা পাট রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১৭ কোটি ৩১ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে পাটের সুতা ও কুণ্ডলী রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৬০ কোটি ৭৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ দশমিক ০৩ শতাংশ বেশি। একইসঙ্গে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রার আয় ৮ দশমিক ৮০ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে পাটের সুতা ও কুণ্ডলী রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৫ কোটি ৮৭ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার আয় হয়েছিল।

সমাপ্ত অর্থবছরে পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১২ কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৮৫ শতাংশ  বেশি। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ৪ দশমিক ০৮ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১২ কোটি ২৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।

ইপিবির প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে পাটের অন্যান্য দ্রব্য রপ্তানিতে ৫ কোটি ৯১ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার আয় হয়েছে; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১২ দশমিক ৯৯ শতাংশ কম। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের রপ্তানি আয় ৯ দশমিক ১৮ শতাংশ কমেছে।

অর্থসূচক/এমই/