বিসিবির ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করতে পারবে না এনএসসি

অর্থসূচক ডেস্ক

0
64
বিসিবি

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড- বিসিবির সংশোধিত গঠনতন্ত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে। এখন থেকে বিসিবির ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করতে পারবে না জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ- এনএসসি। বিসিবির গঠনতন্ত্র সংশোধনের ক্ষমতা শুধু তাদেরই থাকবে, এ ব্যাপারে এনএসসির হস্তক্ষেপ করার কোনো এখতিয়ার নেই।

বুধবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ৩ বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় দেন।

বিসিবি

আদালতে এনএসসির পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একরামুল হক টুটুল। বিসিবির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ। আর রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এম আমিন উদ্দিন ও ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক।

২০১২ সালের নভেম্বরে বিসিবির গঠনতন্ত্রের সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন বিসিবির সাবেক পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোবাশ্বের হোসেন এবং বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক পরিষদের সভাপতি ইউসুফ জামিল বাবু।

এ রিটের প্রেক্ষিতে ওই বছরের ১৩ ডিসেম্বর আদালত রুল জারি করেন ও সংশোধনীর ওপর তিন মাসের স্থগিতাদেশ দেন। ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালত সংশোধনী অবৈধ বলে রায় দেন।

রিটকারীদের দাবি ছিল, বিসিবির গঠনতন্ত্রে ২৬ অনুচ্ছেদে বলা আছে, গঠনতন্ত্র সংশোধনের জন্য সাধারণ পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের অনুমোদন নিতে হবে। বিসিবি ২০১২ সালের ১ মার্চ বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম)’র মাধ্যমে গঠনতন্ত্র সংশোধন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে পাঠায়। কিন্তু জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বিসিবি সাধারণ পরিষদের সদস্যদের মতামত উপেক্ষা করে নিজেদের মনগড়া সংশোধনী আনে। যা গঠনতন্ত্রের স্পষ্ট লঙ্ঘন।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ যেভাবে অবৈধ উপায়ে গঠনতন্ত্র সংশোধন করেছে তা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন ১৯৭৪ এর ২০ এর (ক) ধারার পরিপন্থী। ক্রীড়া পরিষদ মডেল গঠনতন্ত্রপ্রণয়ন করতে পারে কিন্তু বিসিবির এজিএমে অনুমোদিত গঠনতন্ত্র সংশোধনের ক্ষমতা রাখে না।

পরে হাইকোর্টের এ রায় স্থগিত চেয়ে চেম্বার বিচারপতির কোর্টে আবেদন করে এনএসসি ও বিসিবি। এরপর চেম্বার জজ হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন।একইসঙ্গে লিভ টু আপিল করতে বলেন। ২০১৩ সালের ২৫ জুলাই আদালত তাদেরকে আপিলের অনুমতি দেন।

এস