বিরামপুর ও হিলি সীমান্তে মাদকের সাথে আসছে অস্ত্র

0
46
dinajpur

দিনাজপুরদিনাজপুর জেলার বিরামপুর ও হিলি সীমান্ত এলাকা গুলো দিয়ে মাদকের সাথে আসছে বিভিন্ন ধরনের বিদেশী অস্ত্র। বর্তমানে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে চোরাকারবারীরা মাদকের সাথে বিপুল পরিমাণে বিদেশী অস্ত্র-গোলাবারুদ ও বোমা তৈরি সরঞ্জাম পার করছে। এর মাধ্যমে চোরাকারবারীরা মোটা অংকের টাকা উপার্যন করছে।

আর এ সকল চোরাচালান কাজে নারী ও শিশুদের ব্যবহার করা হচ্ছে। চোরাই পথে আসা অস্ত্র মজুদ করছে এক শ্রেণীর অপরাধীরা। যা ছিনতাই-ডাকাতিসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

বিরামপুর ও হাকিমপুর উপজেলার চারপাশ ঘিরে রয়েছে ভারতীয় সীমান্ত এলাকা। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে মাদক ব্যবসায়ী ভারতীয় চোরাকারবারীদের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র-গোলাবারুদ বা বোমা তৈরি সরঞ্জাম বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে পারাপার করছে।

বিরামপুর ও হাকিমপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে অবাধে আসছে মাদক ও অস্ত্র-গোলাবারুদ বোমা তৈরি সরঞ্জাম। মাদক ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফা পাওয়ার লোভে এখন মাদকের সাথে অস্ত্র-গোলাবারুদ ও বামা তৈরি সরঞ্জাম ওপার থেকে বাংলাদেশে নিয়ে আসছে। এরই মধ্যে চলতি বছর ২০১৪ সালে বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ আটক করেছে কয়েকজনকে ।

চলতি মাসের ১০ মার্চ বিরামপুর উপজেলায় ১টি বিদেশী পিস্তুল, দুটি ম্যাগজিন ও কয়েক রাউন্ড গুলিসহ হাকিমপুর উপজেলার রায়ভাগ গ্রামের সিদ্দিক আলীর পুত্র এনামুল হক(২৫), খুলনা দিঘলীয়া উপজেলার চন্দনী মহল গ্রামের মৃত. নুরু সর্দ্দারের পুত্র শুকুর আলী (২৫),  রংপুর সদরের পূর্ব গুপ্তাপাড়ার আবু তাহেরের পুত্র আবু সাঈদ (২৭) কে আটক করে।

বিরামপুর ও হিলি  সীমান্ত এলাকা মধ্যে হাকিমপুর উপজেলার হিলি, নওপাড়া সীমান্ত এলাকা মাদক ও অস্ত্র গোলাবারুদ ব্যবাসয়ীদের একটি নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।

মাদক ও অস্ত্র-গোলাবারুদবা বোমা তৈরি সরঞ্জাম ব্যবসায়ীদের সাথে ভারতীয় নাগরিকরা বাংলাদেশি মোবাইল কম্পানির ফোন সীম ব্যবহার করছে চোরাচালন কাজে স্বল্প খরচে ও দ্রুত যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা মাদক ব্যবসায়ীদের মালামাল সীমান্তের ওপার থেকে পার করার জন্য প্রতিটি সীমান্ত এলাকায় লাইনম্যান (টাকা উৎত্তলনকারী) ব্যক্তিদের মাধ্যমে উৎকচ গ্রহণ করে থাকে। এ সকল লাইনম্যানরা সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিজিবির টাকা উত্তোলন করে থাকে।

যদি কোন ব্যবসায়ী লাইনম্যানকে টাকা দিতে অস্বীকার করে তাহলে তার মালামাল আটক করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন খুব দ্রুত সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারত থেকে মাদক আসা বন্ধ না করলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।

এমএইচএম/সাকি