‘এসডিজি অর্জনে সম্মিলিত পরিকল্পনা নিতে হবে’

অর্থসূচক ডেস্ক

0
50

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, জাতিসংঘ ঘোষিত সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি) অর্জনে বিশ্ববাণিজ্যে সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সম্মিলিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। বাংলাদেশ সফলভাবে এমডিজি অর্জন করে পুরস্কৃত হয়েছে।এসডিজি অর্জনেও সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ এসডিজি অর্জন করতে সক্ষম হবে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক, সামাজিকসহ সকল ক্ষেত্রে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ

আজ মঙ্গলবার জেনেভায় অনুষ্ঠিতব্য ৬ষ্ঠ গ্লোবাল রিভিউ অফ এইড ফর ট্রেড-২০১৭ এর  “এইড এন্ড ইনক্লুসিভ ট্রেড: ফাইন্যান্সিং ট্রেড কানেকটিভিটি এন্ড দি এসডিজি’স শীর্ষক হাই লেভেল বিষয়ভিত্তিক সেশনে বক্তব্য প্রদানের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির  ক্ষেত্রে নন-ফরমাল সেক্টরে ক্ষুদ্র, মাঝারি বাণিজ্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। বাংলাদেশের জনশক্তি বড় সম্পদ। কর্মক্ষম মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার বিকল্প নেই। বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বিশ্ববাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর এবং এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর বাণিজ্য সমক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ট্রেড রিলেটেড সকল সংস্থাকে একত্রিত করে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে শূন্য হাতে যাত্রা শুরু করে। স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সাল থেকে ১৯৯০ সালে গড়ে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ শতাংশের কম, ২০১০ থেকে ২০১৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬.৪ শতাংশে। চলতি অর্থবছরে এ প্রবৃদ্ধি হবে ৭.২৪ ভাগ। বাংলাদেশ সরকার গৃহীত ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সফল বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের কাছাকাছি থাকবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন,  বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে অসাধারণ  সফলতার সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য বেড়েই চলছে। এ মূহূর্তে বাংলাদেশ চাহিদার ৬ ভাগের বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি করে বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশের স্থান দখল করে আছে।

রপ্তানির অন্যান্য সম্ভাবনাময় সেক্টরগুলো হলো তথ্য প্রযুক্তি, জাহাজ নির্মাণ, ঔষধ, সিরামিক, ফার্নিচার ও ইলেক্ট্রনিক্স। কৃষি খাতেও বিপুল সম্ভবনা রয়েছে। হিমায়িত ও সামদ্রিক মাছ রপ্তানিতে এখন বাংলাদেশের অবস্থান ৫ম। সেবা খাতেও বাংলাদেশ বিদেশে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে, বর্তমানে রেমিটেন্সের পরিমাণ ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।কেদ্রীয় ব্যাংকে বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। গত বছর রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৪.৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ এখন দেশের বড় বড় প্রকল্প নিজ অর্থায়নে বাস্তবায়নে সক্ষম।

আজম/এস