দার্জিলিং এর চায়ের বিক্রি অর্ধেকে নেমেছে

অর্থসূচক ডেস্ক

0
61

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক অন্যভাষা চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে আন্দোলনের নেমেছে দার্জিলিং এর গোর্খারা। গত জুন মাস থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের সহিংসতায় এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন। বন্ধ রয়েছে বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

এদিকে ভাষা নিয়ে শুরু হওয়া এই আন্দোলনে প্রভাব পরেছে পশ্চিমবঙ্গের এই রাজ্যের ব্যবসা-বাণিজ্যেও।

ভারতের সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুসারে, চলতি এই আন্দোলনে ভয়ানকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে যাচ্ছে চা শিল্প। গতবছরের তুলনায় এবার চায়ের নিলাম প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে বলে এক খবরে জানিয়েছে আনন্দবাজার।

পত্রিকাটির খবরে বলা হয়েছে, গত মৌসুমে পাঁচ দফার নিলামে যে পরিমান চা বিক্রি হয়েছেছিল এবছর ৪টি নিলামে বিক্রি হয়েছে তার অর্ধেক। আর ৫ম নিলামটি নাও হতে পারে বলে আশঙ্কা শিল্প সংশ্লিষ্টদের।

ক্যালকাটা টি ট্রেডার্স  অ্যাসোসিয়েশন (সিসিটিএ) তথ্য মতে, গত জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের মধ্যে পাঁচ পর্বের নিলামে মোট ৪ লাখ ৭৭ হাজার  কেজি চা কলকাতার কেন্দ্রে এলেও এ বার তারা পেয়েছে ২ লাখ কেজির সামান্য বেশি। আগামী দুইটি নিলামের জন্য পড়ে রয়েছে ৯০ হাজার কেজি চা।

খবরে বলা হয়েছে, গত বছর খারাপ আবহাওয়ার জন্য বিখ্যাত ‘সেকেন্ড-ফ্লাশ’ চায়ের দাম ততটা ওঠেনি। এ বার ভালো দাম পাওয়ার ইঙ্গিত মিলছিল এই সময়েই। কিন্তু পাহাড়ের আন্দোলন তাতে ইতি টেনে দিল বলে দাবি চা শিল্পের।

উল্লেখ, ‘ফার্স্ট-ফ্লাশ’ (মার্চ থেকে মে-র শেষ) ও ‘সেকেন্ড-ফ্লাশ’ (মে-র শেষ থেকে জুলাইয়ের গোড়া) এই দুই ধরনের চায়ের কদরই সবচেয়ে বেশি। সেগুলো বিক্রিও হয় চড়া দাম। দেশ-বিদেশের বাজারে এই দুই ধরনের চায়ের সিংহভাগ সরাসরি বিক্রি হয়।

তবে কিছু চা বিক্রি হয় শুধু কলকাতার নিলাম কেন্দ্রে। সেখান থেকেই দেশ-বিদেশের বাজারে পাড়ি দেয় ওই চা। কিন্তু ৯ জুনের পর থেকে দার্জিলিং এর সব বাগানই বন্ধ।

টি