টয়লেটে প্রসব, মায়ের ৩০ বছরের জেল

অর্থসূচক ডেস্ক

0
48

এক কিশোরি মা শৌচাগারে সন্তান প্রসব করায় তাকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে মধ্য আমেরিকার দেশ এল সালভারদের একটি আদালত।

আদালত বলছে, ওই কিশোরি ইচ্ছাকৃতভাবে টয়লেটে গিয়ে তার গর্ভপাত ঘটায় যা ইচ্ছাকৃত নরহত্যার সমান অপরাধ।

তবে ইভেলিন বিটরিজ হার্নান্দেজ নামের ওই কিশোরি বলেছে, সে জানতো না যে গর্ভবতী হয়েছে। সে ইচ্ছাকৃতভাবে তার গর্ভে থাকা ভ্রণটিকে হত্যা করেনি।

সে বলেছে, কিছুদনি ধরেই মাঝে মধ্যে তার পেট ব্যথা করতো এবং কখনও কখনও প্রসাবের সঙ্গে রক্ত যেতো। তবে বিষয়টি সে মাসিকের কোনো অনিয়ম হিসেবেই মনে করে।

আদালতে হার্নান্দেজ বলে, আমি কখনই আমার ছেলেকে হত্যা করতে চাইনি।

তার আইনজীবী বলছে, কিছুদিন আগে সে ধর্ষণের শিকার হয়। আর সে কারণেই সে গর্ভধারণ করে। কিন্তু লজ্জার কারণে সেকথা কাউকে বলেনি।

তবে মধ্য আমেরিকার এই দেশটিতে ভ্রুণ হত্যা বা গর্ভপাত পুরোপুরি নিষিদ্ধ। দেশটির আইনে তা নরহত্যার সমান অপরাধ। এই অপরাধে দেশটি অসংখ্য নারীকে কারাদণ্ড দিয়েছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, গতবছরের এপ্রিল মাসে দেশটির এক গ্রামীণ এলাকায় হার্নান্দেজ তাদের বাড়ির টয়লেটে এক মৃত শিশুর প্রসব করে। করে মৃত শিশুটি কিছু প্রত্যাঙ্গ তার শরীরের ভেতরে থেকে যায়। এদিকে এই সময় প্রচুর রক্তপাত দেখে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এরপরই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে ভ্রুণ হত্যার। ওই ঘটনার ১১দিন পরে প্রথম শুনানি হয় আদালতে। সেই শুনানিতে তাকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তবে তার এই কাজটি পুরোপুরিভাবে গর্ভপাত প্রমাণীত না হওয়ায় তার সাজা কম হয়েছে বলে খবরে বলা হয়েছে। এই অপরাধ প্রমাণীত হলে তার মৃত্যুদণ্ড হতে পারত।

টি