বিদায়ী বছরে ব্যাংকের শেয়ারে লেনদেন বেড়েছে ৭৪ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
41
stock-market-investment

সদ্য বিদায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) খাতভিত্তিক লেনদেনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। আলোচ্য বছরে ব্যাংক খাতে লেনদেন বেড়েছে ৭৪.৪২ শতাংশ এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার লেনদেন বেড়েছে ৯০.৫৪ শতাংশ।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর তথ্যে দেখা গেছে, আলোচ্য বছরে আর্থিকখাতে ১৭ হাজার ৯৩ কোটি ৮৬ লাখ ৯৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা মোট লেনদেনের ৯.৪৭ শতাংশ। লেনদেনকৃত শেয়ারের সংখ্যা ৫৫১ কোটি ৫৪ লাখ ৬৬ হাজার ১৩৮টি।

এর আগের অর্থবছরে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ৫ হাজার ৩২৫ কোটি ৯৬ লাখ ৫৭ হাজার টাকা মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা হয়েছিল। যা ছিল মোট লেনদেনের ৪ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এসময়ে শেয়ার ভলিয়ম হয়েছিল ২০৬ কোটি ৮৩ লাখ ৯৯ হাজার ৫২২টি।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে ব্যাংকিং খাতে ২৪ হাজার ৭৪৬ কোটি ৫২ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা মোট লেনদেনের ১৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। আলোচ্য বছরে শেয়ারের ভলিয়ম হয়েছে ১ হাজার ২১১ কোটি ৯২ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৫টি।

গত অর্থবছরে ব্যাংক খাতে মোট লেনদেন হয়েছিল ৮ হাজার ৪২৭ কোটি ১০ লাখ টাকার। যা ছিলো মোট লেনদেনের ৭.৮৬ শতাংশ। এসময়ে শেয়ার ভলিয়ম ছিল ৪৭৩ কোটি ২৫ লাখ ৫৭২টি।

আলোচ্য বছরে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে প্রকৌশল খাতে। এই খাতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৪২৬ কোটি ২৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৫.১৯ শতাংশ। তবে প্রকৌশল খাতের লেনদেন গতঅর্থবছরের তুলনায় কমেছে। গত অর্থবছরে এই খাতে লেনদেন ছিল ১৬.৬১ শতাংশ। মোট লেনদেন হয়েছিল ১৭ হাজার ৮১৮ কোটি ৩ লাখ টাকার শেয়ার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে জ্বালানী ও বিদ্যুৎ এবং ওষুধখাতে মোট লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। আলোচ্য বছরে জ্বালানী ও বিদ্যুত খাতে মোট লেনদেন হয়েছে ২০ হাজার ৮০৪ কোটি ৭ লাখ টাকার শেয়ার। যা মোট লেনদেনের ১১.৫২ শতাংশ। যা গত অর্থবছরে এই পরিমাণ ছিল ১৪.৭৩ শতাংশ।

আর ফার্মাসিউটিক্যালস খাতে মোট লেনদেন হয়েছে ২২ হাজার ৯০১ কোটি ৯৪ লাখ টাকার শেয়ার। যা মোট লেনদেনের ১২.৬৯ শতাংশ। গত অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিলো ১৬.২৭ শতাংশ।

এছাড়া আলোচ্য বছরে অন্যান্য খাতের মধ্যে- ডিএসইর মোট লেনদেনে মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ১.৬৭ শতাংশ, খাদ্য খাতে ৩.৫৭ শতাংশ, পাট খাতে দশমিক ১৯ শতাংশ, বস্ত্রখাতে ১২.১৬ শতাংশ, কাগজ ও মূদ্রণখাতে দশমিক ১৫ শতাংশ, সেবা ও আবাসনে ২.১১ শতাংশ, সিমেন্টে ২.৯০ শতাংশ, তথ্য প্রযুক্তিতে ২.২১ শতাংশ, ট্যানারিতে ১.২২ শতাংশ, সিরামিকে ১.০১ শতাংশ, বিমাতে ১.৯৩ শতাংশ, পর্যটন খাতে ১.৩০ শতাংশ, টেলিকম খাতে ১.৪৯ শতাংশ এবং বিবিধ খাতে ১.৩০ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।