রিকন্ডিশন গাড়ির আমদানি কমেছে ২৯ শতাংশ

0
98
car

carউচ্চ শুল্কায়ন, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও স্থায়ী শুল্কনীতি না থাকার কারণে রিকন্ডিশন গাড়ির আমদানির পরিমাণ কমেছে। বিগত ৬ অর্থবছরে গাড়ির আমদানি কমেছে গড়ে ২৯ শতাংশ।

বাংলাদেশ রিকন্ডিশন ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা) থেকে জানা যায়, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে রিকন্ডিশন গাড়ির আমদানি হয় ৩৩ হাজার ১৭৮টি। কিন্তু আমদানি কমতে শুরু করে ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে। এই অর্থবছরে গাড়ির আমদানি হয় ৩২ হাজার ২২৫টি।  পরবর্তী ২০১০-১১ অর্থবছরে ১২ হাজার ৪০২টি গাড়ির আমদানি কমে যায়। এ বছর আমদানি হয় ১৯ হাজার ৮২৩টি গাড়ি। ২০১১-১২ অর্থবছরে ১০ হাজারেরও ওপরে আমদানি কমে যায়। এ বছর ৯ হাজার ৫৮৮টি গাড়ি আমদানি হয়। ২০১২-১৩ অর্থবছরে ৭ হাজার ৩৫৩টি গাড়ির আমদানি হয়। এ বছর আমদানি কমেছে ২ হাজার ২৩৫টি গাড়ির।

এদিকে, ২০১৩-১৪ অর্থবছরের ৬ মাসে ( জুলাই-ডিসেম্বর) গাড়ি আমদানি হয়েছে ৪ হাজার ৭২৪টি। ৬ অর্থবছরের গাড়ি আমদানি কমেছে গড়ে ২৯ শতাংশ।

বারভিডা বলছে,  সিসি অনুযায়ী গাড়ি আমদানিতে শুল্ক হার অনেক বেশি। যার কারণে আমদানি করা গাড়িতে দাম বেড়ে যায়। এদিকে, গত ৬ মাসে দেশের রাজনীতির মাঠ উত্তপ্ত ছিল। যার কারণে গাড়ি আমদানিতে প্রভাব পড়েছে বেশি।

এছাড়া, প্রতি অর্থবছর আমদানি করা গাড়ির জন্য শুল্ক হার পাল্টায়। এতে গাড়ির দামে তারতম্য ঘটে। এজন্য গাড়ি আমদানির এ সংগঠনটি বলছে একটি স্থায়ী শুল্কনীতি থাকলে এ গাড়ির দামেও ভারসাম্য থাকতো। এতে গাড়ি বিক্রি বাড়তো পাশাপাশি আমদানি বৃদ্ধি পেত বলে মনে করছে বারভিডা।

এসব বিষয়ে কথা হয় বারভিডার সভাপতি হাবিবুল্লাহ ডনের সাথে। তিনি আমদানি কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে উচ্চশুল্কায়ন ও ব্যাংকের কম লোনের হারের কথা বলেন।

তিনি বলেন, ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে সরকার লাগামহীনভাবে শুল্ক আরোপ করেছে। তার প্রভাব পড়েছে গাড়ি আমদানির ওপরেও। এ কারণে দিন দিন আমদানি কমে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ব্যাংকগুলো গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে লোন দেয় না বললেই চলে। ব্যাংকগুলো গাড়ি ক্রয়ে ৩০ শতাংশ লোন দেয়। এ হার বাড়ানো দরকার। এত কম লোন পেলে ক্রেতারা গাড়ি ক্রয়ে আগ্রহ পায় না।

শুল্ক হার কমালে এবং ব্যাংক লোনের হার বাড়লে এ অবস্থার পরিবর্তন হবে বলে মনে করেন তিনি।

এইচকেবি/এএস