বাজেট বাস্তবায়নে আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ ডিসিসিআইয়ের

অর্থসূচক ডেস্ক

0
58
ডিসিসিআইয়ের লোগো। সংগৃহীত

আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটটি ব্যবসাবান্ধব, তবে বড় আকাররে এ বাজেট বাস্তবায়নে সরকারকে আরও বেশি সচেতন হতে বলে বলে মনে করছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রি (ডিসিসিআই)।

আজ বৃহস্পতিবার ডিসিসিআই বোর্ড রুমে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পরবর্তী এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা জানায় সংগঠনটি। এসময় ডিসিসিআই পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিক্রিয়ায় ঢাকা চেম্বারের সভাপতি আবুল কাসেম খান প্রস্তাবতি বাজেটে ব্যক্তিখাত ও করর্পোরেট করের হার অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব পুন:বিবেচনার আহ্বান জানান। এছাড়া অন্যান্য সকল বিষয়ে প্রস্তাবিত বাজেটের প্রশংসা করেন তিনি।

ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, সরকার বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষে সারাদেশে ১০টি এসইজেড স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। যা প্রশংসার দাবিদার। তিনি এডিপিতে বিভিন্ন প্রকল্প বিশেষ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানী, খনিজ সম্পদ আহরণ, রেলপথের উন্নয়ন প্রভৃতি খাতে বরাদ্দ বেশি রাখাকে সাধুবাদ জানান।

আবুল কাসেম খান বলেন, এবছর এডিপির বরাদ্দ মোট বাজেটের ৩৮ দশমিক ৮ শতাংশ করা হয়েছে। যা গত বছর ছিল ৩৩ শতাংশ। এটা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

তিনি আরও বলেন, জিডিপির ৫ থেকে ৬ শতাংশ  অবকাঠামো খাতের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে এবং এ খাতের আধুনিকায়নের লক্ষ্যে আরও বেশি হারে বেসরকারী খাতের বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

ডিসিসিআই জানায়, সরকার ২০১৮ সালের মধ্যে এলএনজি আমদানি এবং প্রস্তাবিত বাজেটে গ্যাসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভর্তুকী প্রদানের মাধ্যমে এর মূল্য নির্ধারনের বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেছে। যার ফলে নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশপাশি ব্যবসায় ব্যয় হ্রাস পাবে এবং ব্যবসায়ী সমাজ আরও নতুন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন।

সরকারি ব্যাংকগুলো হতে ঋণ গ্রহণের বিষয়ে ঢাকা চেম্বার মনে করে, এটি একটি গতানুগতিক প্রক্রিয়া এবং বর্তমানে দেশে তারল্যের সংকট নেই। যার ফলে বেসরকারী খাতের উদ্যোক্তারও ব্যাংক হতে ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে ঋণের সুদের হার কমানো হলে ব্যবসায়ী মহলের পাশাপাশি সাধারণ জনগনও উপকৃত হবেন। ডিসিসিআই সভাপতি খেলাপী ঋণ আদায়ে আরও মনোযোগী হওয়ার প্রস্তাব করেন।

অর্থসূচক/মেহেদী