সাবেক জোট সরকারের মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের তথ্য রয়েছে দুদকের কাছে

0
59

দুর্নীতি দমন কমিশনসাবেক বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ করেনি দুদক কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুন বাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে দুদকের কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন চম্পু এই কথা জানান। অর্থপাচারের মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রসঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

দুদক কমিশনার বলেন, আমরা দল মত সব কিছুর উর্ধ্বে উঠে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। ইতোমধ্যে বর্তমান সরকারের বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছি।

তিনি জানান, বর্তমানে ক্ষমতায় নেই কিন্তু অতীতে ছিলেন এমন বেশ কয়েকজন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের প্রমাণ রয়েছে দুদকের কাছে।

তিনি আরও জানান, মোশাররফ ও এম মোর্শেদ খানের মতো চার-পাঁচ জন প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের বিষয়ে তথ্য দুদকের কাছে রয়েছে। আমরা শীঘ্রই তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেব।

তার মতে, ২০০১-২০০৬ সালের মধ্যে দেশে সর্বত্র দুর্নীতি ব্যপক হারে বিস্তার করেছিল। এসময় সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ভাব মূর্তি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

ড. খন্দকার মোশাররফের বিষয়ে কমিশনার বলেন, তিনি ক্ষমতায় থাকাবস্থায় দেশের আইন ভঙ্গ করে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ব্যাংকে প্রায় ১০ কোটি টাকা জমা করেন। বাংলাদেশের মতো একটি গরীব দেশে এটি অনেক বড় অপরাধ হওয়ায় তাকে ৭ থেকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে। তবে আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেকই নির্ধারণ হবে তাকে কয়দিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

এদিকে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীকে একদিন আগেই জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে কমিশনার বলেন, তিনি অসুস্থ্ ছিলেন বলে তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তবে বিষয়টি আমার জানা ছিলো না।

এইউ নয়ন