দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ শেষ আদালতে মোশাররফ

0
62

mosshrrofঅর্থ পাচার মামলায় গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ঢাকা  মুখ্য  মহানগর আদালত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় তাকে দুদক কার্যালয় থেকে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে নিয়ে যায় পুলিশ।

এদিন সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। দুদকের উপপরিচালক আহসান আলী তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।

বুধবার রাত সাড়ে দশটায় মোশাররফ হোসেনের গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ। এরপর তাকে রমনা থানায় হস্তান্তর করে তারা।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় জামিনে থাকা খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে সুপ্রীম কোর্টে প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর রমনা থানায় বিদেশে প্রায় ১০ কোটি টাকা পাচারের দায়ে মামলা দায়ের করে দুদক। ১০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট এ মামলায় তার ছয় মাসের আগাম জামিন মঞ্জুর করেছিলেন। এই আদেশের বিরুদ্ধে ১৬ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগে আবেদন করে দুদক। শুনানি শেষে সুপ্রীম কোর্ট তাকে আবার গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, খন্দকার মোশাররফ বিভিন্ন সময়ে ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৯৪ হাজার ৩৮১ টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। এছাড়া তিনি মন্ত্রী থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা গোপন করে দেশে বিদ্যমান আইন লঙ্ঘন করেছেন। তিনি ও তার স্ত্রী মিসেস বিলকিস আক্তার হোসেনের যৌথ নামে যুক্তরাজ্যে ৮ লাখ ৪ হাজার ১৪২.৪৩ ব্রিটিশ পাউন্ড (হিসাব নং-১০৮৪৯২) জমা করেন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮১ টাকা। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তার স্ত্রীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি বলে তাকে আসামি করা হয়নি।

এজাহারে আরও বলা হয়, বিদেশে বৈদেশিক মুদ্রায় হিসাব খোলার বিষয়ে খন্দকার মোশাররফ বা তার স্ত্রী বিলকিস কেউ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে কোনো অনুমোদন নেননি।

২০০৮ সালে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রমনা থানায় জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে তত্কালীন দুদক কর্তৃপক্ষ। সেটির অভিযোগপত্র গত বছরের ২৪ মার্চ আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।