‘বাংলাদেশে উদ্যোক্তাদের প্রায় ৭০ শতাংশই এসএমই’

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
54

বাংলাদেশে মোট উদ্যোক্তাদের প্রায় ৭০ শতাংশ এসএমই উদ্যোক্তা বলে জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বারের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি কামরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, পৃথিবীতে শিল্পায়ন এবং অর্থনীতির চাকাকে চলমান রাখার ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার রেখে আসছে।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা চেম্বার মিলানায়তনে ‘বাংলাদেশ এসএমই খাতের অর্থায়নে উদ্ভাবনী ফান্ড’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং ইউকে এইড-এর বিজনেস ফাইন্যান্স ফর দি পুর ইন বাংলাদেশ (বিএফপি-বি) যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে কামরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা প্রায়ই আর্থিক, মূলধন স্বল্পতাসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। এছাড়া দেশে বিদ্যমান আর্থিক ব্যবস্থাপনা এসএমই বিকাশে সহায়ক নয়।

বাংলাদেশের এসএমই খাতের বিকাশে আর্থিক নীতিমালার আমূল সংষ্কারের পাশাপাশি এ খাতের নারী উদ্যোক্তাদের বিশেষ সহতায়তা প্রদানের উপর জোর দেন কামরুল ইসলাম।

তিনি ক্ষুদ্র ও মাঝারী উদ্যোক্তাদের বিকাশে স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান, উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি ও পণ্যের বহুমুখীকরণ, অগ্রাধিকারভিত্তিতে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানিসহ অন্যান্য সেবা প্রদান এবং বিশেষ শিল্প এলাকা স্থাপনের প্রস্তাব করেন।

কর্মশালায় বিজনেস ফাইন্যান্স ফর দি পুর ইন বাংলাদেশ (বিএফপি-বি)-এর চ্যালেঞ্জ ফান্ড ম্যানেজার মো. আরাফাত হোসেন এ ফান্ড বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, ইউকে এইড পরিচালিত একটি প্রকল্প হলো বিএফপি-বি, যেটি বাংলাদেশের উদ্ভাবনী, টেকসই ও সফল এসএমই উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।

তিনি জানান, এ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং চলতি বছরের ৩০ জুন এ প্রকল্পের কার্যক্রম শেষ হবে। এ প্রকল্পের আওতায় ‘বিজনেস ফাইন্যান্স চ্যালেঞ্জ ফান্ড’ নামে একটি তহবিল গঠন করা হয়েছে। এসএমই খাতের উদ্যোক্তারা তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প পরিচালনায় মোট ব্যয়ের প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পেতে পারবেন এ ফান্ড থেকে।

বিজনেস ফাইন্যান্স ফর দি পুর ইন বাংলাদেশ (বিএফপি-বি)-এর টিম লিডার ক্রিস্টফার অগাস্ট বলেন, বাংলাদেশের এসএমই উদ্যোক্তাদের উন্নয়ন এবং দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে এ ফান্ডটি গঠন করা হয়েছে। কারণ এসএমই খাত এ দেশের অর্থনীতি কে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিসিসিআই পরিচালক ইমরান আহমেদ, সাবেক সহ-সভাপতি অবসার করিম চৌধুরী, এম আবু হোরায়রাহ, সাবেক পরিচালক ওয়াকার আহমেদ চৌধুরী, এ কে ডি খায়ের মোহাম্মদ খান, রফিকুল ইসলাম খান, এফসিএ, আহবায়ক এম এস সিদ্দিকী প্রমুখ।

অর্থসূচক/মেহেদী/এসএম